ঢাকা সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩
Daily Global News

২৯ জুলাইয়ের মধ্যে সুরাহা না হলে রাজপথে নামার হুঁশিয়ারি প্রাথমিকের শিক্ষকদের

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুলাই ২৭, ২০২৬, ০৮:১৯ পিএম

২৯ জুলাইয়ের মধ্যে সুরাহা না হলে রাজপথে নামার হুঁশিয়ারি প্রাথমিকের শিক্ষকদের

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত ও সুপারিশপ্রাপ্ত ১৪ হাজার ৩৮৪ জন প্রার্থী দ্রুত নিয়োগের দাবিতে আবারও কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।

সোমবার (২৭ জুলাই) বিকেলে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সামনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তারা আল্টিমেটাম দিয়ে জানান, আগামী ২৯ জুলাইয়ের মধ্যে নিয়োগের বিষয়ে কোনো লিখিত বক্তব্য বা সুনির্দিষ্ট সময়সূচি না পেলে তারা বাধ্য হয়েই রাজপথে নামবেন।

নিয়োগের বিষয়ে বারবার কেবল মৌখিক আশ্বাস দেওয়া হলেও বাস্তবে নিয়োগ প্রক্রিয়া আটকে থাকায় চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হওয়ার পরও এই প্রার্থীরা চরম অনিশ্চয়তা ও হতাশার মধ্যে দিন পার করছেন।

সংবাদ সম্মেলনের আগে নিয়োগপ্রত্যাশীদের একটি প্রতিনিধিদল প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহীনা ফেরদৌসীর সঙ্গে সরাসরি সাক্ষাৎ করেন। সাক্ষাৎ শেষে তারা গণমাধ্যমকে জানান, মহাপরিচালক তাদের আশ্বস্ত করেছেন যে, ২৯ জুলাই তিনি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজের সঙ্গে একটি বিশেষ বৈঠক করবেন এবং সেখানে এই নিয়োগের বিষয়টি গুরুত্বের সাথে উপস্থাপন করা হবে।

তবে প্রার্থীরা স্পষ্ট জানিয়েছেন, তারা রাস্তায় নয়, বরং ক্লাসরুমে শিক্ষার্থীদের পড়াতে চান। কিন্তু বারবার আশ্বাসের পরও কাজ না হওয়ায় তাদের পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেছে। তাই আগামী ২৯ জুলাইয়ের মধ্যে সুনির্দিষ্ট কোনো সমাধান বা লিখিত প্রতিশ্রুতি না এলে তারা পুনরায় রাজপথে নামতে বাধ্য হবেন।

উল্লেখ্য, চলতি বছরের ৯ জানুয়ারি পার্বত্য তিন জেলা বাদে দেশের ৬১টি জেলায় একযোগে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এতে উত্তীর্ণ ৬৯ হাজার ২৬৫ জন প্রার্থীকে মৌখিক পরীক্ষার জন্য ডাকা হয় এবং গত ৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করে ১৪ হাজার ৩৮৪ জনকে নিয়োগের জন্য প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত করা হয়।

লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষাসহ সব প্রক্রিয়া সফলভাবে শেষ করার পরও এই প্রার্থীরা এখনো কর্মস্থলে যোগদান করতে পারেননি। এর আগে গত এপ্রিলের শেষ দিকেও তারা দ্রুত পদায়নের দাবিতে রাজধানীতে আন্দোলনে নেমেছিলেন।

সে সময় শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানিয়েছিলেন, প্রশিক্ষণের মতো কিছু শর্ত সাপেক্ষে তাদের যোগদানের ব্যবস্থা করা হবে। কিন্তু সেই আশ্বাসেরও দীর্ঘ সময় পার হওয়ায় প্রার্থীরা এখন বাধ্য হয়েই নতুন করে আন্দোলনের পথ বেছে নিচ্ছেন।

ডিজিএন/এনএস

banner
Link copied!