ঢাকা বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩
Daily Global News

ঐতিহাসিক সফরে জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, বৃহস্পতিবার দেবেন ভাষণ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬, ০৮:৪৮ পিএম

ঐতিহাসিক সফরে জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, বৃহস্পতিবার দেবেন ভাষণ

প্রয়াত বাবা, সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং প্রয়াত মা, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার পদাঙ্ক অনুসরণ করে এবার জাতিসংঘের বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করছেন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকালে নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগ দিয়েছেন তিনি। এর আগে সকালে তিনি সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমানকে সঙ্গে নিয়ে জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের আমন্ত্রণে আয়োজিত এক বিশেষ প্রাতরাশ সভায় অংশ নেন।

প্রধানমন্ত্রীর এই সফরকে ‘ঐতিহাসিক’ আখ্যা দিয়ে সোমবার রাতে নিউইয়র্কের ম্যানহাটনের হায়াত গ্র্যান্ড সেন্ট্রাল হোটেলের লবিতে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে তাঁর প্রতিনিধিদল।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন জানান, দীর্ঘদিন পর জনগণের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত একটি প্রতিনিধিত্বমূলক সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানের এই সফর বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া যেভাবে বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের দৃঢ় অবস্থান ও পরিকল্পনা তুলে ধরেছিলেন, সেই একই ঐতিহাসিক ধারাবাহিকতায় বর্তমান প্রধানমন্ত্রীও দেশের ভবিষ্যৎ রূপকল্প, গণমানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের বার্তা বিশ্বনেতাদের সামনে উপস্থাপন করবেন। আগামী বৃহস্পতিবার সাধারণ অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী তাঁর মূল ভাষণ দেবেন বলে জানানো হয়েছে।

অতীতের বিশাল বহর নিয়ে বিদেশ সফরের সনাতনী ধারা ভেঙে প্রধানমন্ত্রী এবার সম্পূর্ণ ব্যতিক্রমী দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। মুখপাত্র মাহদী আমিন জানান, যাতায়াতের দুই দিন বাদে মাত্র চার কর্মদিবসের এই সংক্ষিপ্ত সফরে প্রধানমন্ত্রীর আনুষ্ঠানিক সফরসঙ্গী মাত্র ৩৫ জন। এর বাইরে কেবল নিরাপত্তাকর্মী, ব্যক্তিগত স্টাফ ও অত্যাবশ্যকীয় গণমাধ্যমকর্মীরা রয়েছেন। এই ক্ষুদ্র বহর নিয়েই তিনি আগামী কয়েক দিনে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় বৈঠকে অংশ নেবেন।

সফরকালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর আলাদা কোনো বৈঠকের সুযোগ আছে কি না সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবীর স্পষ্ট করেন যে, এটি মূলত একটি বহুপক্ষীয় সফর। সাধারণ অধিবেশনে যোগ দেওয়াই এর প্রধান উদ্দেশ্য হওয়ায় এই মুহূর্তে আলাদাভাবে দ্বিপক্ষীয় আলোচনার তেমন কোনো সুযোগ থাকছে না।

সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী, অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন এবং জাতিসংঘে বাংলাদেশ মিশনের উপস্থায়ী প্রতিনিধি ওয়াহিদুজ্জামান উপস্থিত ছিলেন।

ডিজিএন/এনএস

banner
Link copied!