হবিগঞ্জে দলীয় নেতাকর্মীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে চুয়াডাঙ্গায় ব্যানার ছাড়াই এক ব্যতিক্রমী প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। আশ্চর্যের বিষয় হলো, বুধবার (২৯ জুলাই) বিকেল পৌনে ৬টায় জেলা শহরের শিল্পকলা একাডেমির সামনে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন মাত্র ৭ জন নেতাকর্মী।
সমাবেশে বক্তব্য দেন চুয়াডাঙ্গা জেলা এনসিপির সদস্য সচিব আলমগীর হোসেন। তিনি হবিগঞ্জের ঘটনাকে ‘বর্বরোচিত’ আখ্যা দিয়ে এর তীব্র প্রতিবাদ জানান এবং অবিলম্বে জড়িতদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেন।
তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, দাবি মানা না হলে রাজপথে তাদের এই প্রতিবাদ অব্যাহত থাকবে। বর্তমান সরকারের ভূমিকা নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করে তিনি আরও বলেন, "অতীতে আমরা বাংলাদেশে যে ধরনের ফ্যাসিবাদী কর্মকাণ্ড দেখেছি, বর্তমান সরকারের আচরণেও তার প্রতিফলন স্পষ্ট। আমরা এমন বাংলাদেশ চাইনি। দেশবাসী একটি দুর্নীতিমুক্ত ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ দেখতে চায়।"
মাত্র ৭ জন নেতাকর্মী নিয়ে এমন কর্মসূচি পালনের কারণ জানতে চাইলে সদস্য সচিব জানান, দেশজুড়ে চলমান অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি ও যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতেই মূলত কৌশলগত কারণে কমসংখ্যক নেতাকর্মী নিয়ে অত্যন্ত সংক্ষিপ্ত পরিসরে এই সমাবেশের আয়োজন করা হয়েছে।
ব্যানারবিহীন এই প্রতিবাদ সমাবেশে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা জেলা এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক রবিউল কাদির রোকন, সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব আলী রুসদী মজনু, সহ-প্রচার সম্পাদক সোহেল রানা, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মাসুদ রানা, পৌর সদস্য সচিব ইয়াছিন আলী এবং ছাত্র শক্তির জেলা প্রতিনিধি সাকিবুর রহমান।


আপনার মতামত লিখুন :