ঐতিহ্যবাহী কেরু অ্যান্ড কোম্পানি লিমিটেডের চিনি কারখানার সার্বিক অগ্রগতি, কৃষকদের স্বার্থ সংরক্ষণ এবং সার উৎপাদন বাড়ানোর নানা পরিকল্পনা তুলে ধরেছেন প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) রাব্বিক হাসান। সম্প্রতি জীবননগর উথলী ইউনিটে আখচাষি শামীমের আখের প্রদর্শনী প্লট পরিদর্শন শেষে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
পরিদর্শনকালে এমডি রাব্বিক হাসান জানান, বাংলাদেশ সরকারের অন্যতম এই ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠানের প্রধান ভিত্তি হলো চিনি কারখানা। বিগত সময়ের তুলনায় চলতি মৌসুমে কারখানার লোকসান অনেকটাই কমিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে।
কৃষকদের উৎসাহিত করার ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, “আমাদের কারখানার মূল কাঁচামাল আখ। কৃষকরা যাতে আখ চাষে উদ্বুদ্ধ হন এবং সঠিক পরিচর্যার মাধ্যমে মানসম্মত আখ সরবরাহ করতে পারেন, সে বিষয়ে কেরু অ্যান্ড কোম্পানি সবসময় সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিচ্ছে। আমরা চাষীদের ন্যায্য দাম নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর।”
বর্তমান কৃষিবান্ধব সরকার আখের দাম বৃদ্ধি করেছে উল্লেখ করে তিনি জানান, প্রতি কুইন্টাল আখের দাম আগে ৬২৫ টাকা থাকলেও তা বাড়িয়ে বর্তমানে ৬৫১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ফলে আসন্ন মাড়াই মৌসুমে কৃষকরা আখের বর্ধিত মূল্য হাতে পাবেন।
প্রতিষ্ঠানের লাভ-ক্ষতির চিত্র তুলে ধরে ব্যবস্থাপনা পরিচালক জানান, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে কেরু অ্যান্ড কোম্পানি প্রায় ১৬৫ কোটি টাকা লাভ করেছে। চিনি কারখানা বাদে প্রতিষ্ঠানের বাকি সবকটি ইউনিটই মুনাফায় রয়েছে। এর মধ্যে ডিস্টিলারি ইউনিট থেকে ২২৩ কোটি টাকা, বাণিজ্যিক খামার থেকে ৫ লাখ টাকার বেশি এবং পরীক্ষামূলক খামার থেকে প্রায় ৭ লাখ টাকা লাভ অর্জিত হয়েছে।
বিশেষ করে জৈব সার উৎপাদনে রেকর্ডের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, “আমাদের উৎপাদিত ‘সোনার দানা’ জৈব সার বিক্রি করে এবার প্রায় ১ কোটি ৪৭ লাখ টাকা লাভ হয়েছে, যা অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি। মাটির ক্ষয় রোধ ও উর্বরতা বৃদ্ধিতে এটি অত্যন্ত কার্যকরী। চুয়াডাঙ্গাসহ আশপাশের কৃষকরা আখের পাশাপাশি অন্যান্য ফসলেও এই সার ব্যবহার করে লাভবান হচ্ছেন।”
কৃষকদের দেশের ‘প্রাণ’ আখ্যা দিয়ে তিনি আশা প্রকাশ করেন, বর্ধিত মূল্য ও আধুনিক কৃষি সহায়তার মাধ্যমে আগামী দিনে কৃষক এবং প্রতিষ্ঠান উভয় পক্ষই আরও বেশি সমৃদ্ধ হবে।
পরিদর্শনকালে আরও উপস্থিত ছিলেন কেরু অ্যান্ড কোম্পানির কৃষি বিভাগের মহাব্যবস্থাপক আশরাফুল আলম ভূঁইয়া, ডিজিএম (সম্প্রসারণ) মাহবুবুর রহমান, ডিএম (সম্প্রসারণ) মাহাফুজুল আলম, সিডিএ সাকী মাহমুদ ও স্থানীয় আখচাষি শামীম হোসেন।
আশা করি সাধারণ প্যারাগ্রাফ স্টাইলে করা এই সম্পাদনাটি আপনার পছন্দ হয়েছে। আর কোনো লেখা এডিট করার প্রয়োজন হলে নির্দ্বিধায় জানাতে পারেন।্যসংখ্যা বেড়ে দাঁড়াবে ৫৪ জনে।
একই দিনে নতুন রাষ্ট্রপতির শপথ এবং মন্ত্রিসভায় নতুন সদস্যদের অন্তর্ভুক্তির মধ্য দিয়ে সরকারের গুরুত্বপূর্ণ দুটি আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হতে যাচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :