ঢাকা সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩
Daily Global News

রামপাল তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রের একটি ইউনিট বন্ধ, উৎপাদন নামল অর্ধেকে

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬, ০৯:০৯ পিএম

রামপাল তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রের একটি ইউনিট বন্ধ, উৎপাদন নামল অর্ধেকে

কারিগরি ত্রুটি ও রক্ষণাবেক্ষণ কাজের জন্য বাগেরহাটের রামপাল কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রের একটি ইউনিটের উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেছে। আজ রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কেন্দ্রটির ২ নম্বর ইউনিটটি বন্ধ হয়ে যায়। এতে কেন্দ্রটির সার্বিক বিদ্যুৎ উৎপাদন কমে প্রায় অর্ধেকে নেমে এসেছে।

বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) সদস্য (উৎপাদন) মো. জহুরুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, আজ দুপুরে বন্ধ হওয়ার আগে কেন্দ্রটির দুটি ইউনিট থেকে ১ হাজার ১০০ মেগাওয়াটের বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছিল।

একটি ইউনিট বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বর্তমানে উৎপাদন ৬০০ মেগাওয়াটের নিচে নেমে এসেছে। তিনি আরও জানান, মূলত রক্ষণাবেক্ষণ কাজের জন্যই রামপালের ২ নম্বর ইউনিটটি বন্ধ করা হয়েছে। তবে স্বস্তির বিষয় হলো, এরই মধ্যে ভারতের আদানি বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে পুনরায় বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হয়েছে।

ইউনিটটি কবে নাগাদ পুনরায় চালু হতে পারে এমন প্রশ্নের জবাবে জহুরুল ইসলাম বলেন, ‘যেকোনো ইউনিট বন্ধের পর নিয়ম অনুযায়ী সেটি প্রথমে শীতলীকরণ করতে হয়। এই ইউনিটের কাজের জন্য ভারত থেকে দুজন প্রকৌশলীর আসার কথা রয়েছে। তাঁরা আসার পর মূল কাজ শুরু হবে। সব মিলিয়ে ইউনিটটি পুনরায় উৎপাদনে ফিরতে তিন থেকে চার দিন সময় লাগতে পারে বলে আমরা ধারণা করছি।’

রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র সূত্র জানায়, কেন্দ্রটির দুটি ইউনিটের মোট বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা ১ হাজার ৩০০ মেগাওয়াট। দুটি ইউনিট একসঙ্গে চালু থাকলে সেখান থেকে সর্বোচ্চ ১ হাজার ১০০ থেকে ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট পর্যন্ত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা সম্ভব হয়।

আর কেবল একটি ইউনিট চালু থাকলে ৫৫০ থেকে ৬০০ মেগাওয়াট পর্যন্ত বিদ্যুৎ পাওয়া যায়।য়েক এবং ইসলামিক রিসার্চ ফাউন্ডেশন, পিস টিভিসহ তার নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করার পর ২০১৬ সালে এ ব্তা মালয়েশিয়ায় চলে যান। পরে সেখানে তাকে স্থায়ী বসবাসের অনুমতি দেওয়া হয়।

ভারত আনুষ্ঠানিকভাবে তার প্রত্যর্পণের অনুরোধ জানিয়েছে। তবে মালয়েশিয়া বলে আসছে, সুনির্দিষ্ট ও বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ দেওয়া হলে প্রতিষ্ঠিত আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই তারা সহযোগিতা করবে। পর্যাপ্ত প্রমাণের অভাবের কথা জানিয়ে ইন্টারপোল তার বিরুদ্ধে রেড নোটিস জারি করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিল।

এনডিটিভি লিখেছে, জাকির নায়েক মালয়েশিয়ার জন্য ‘বিব্রতকর পরিস্থিতির’ কারণ হয়েছেন। ২০১৯ সালে জাতিগতভাবে সংবেদনশীল মন্তব্যের পর মালয়েশিয়ায় ব্যাপক জনরোষ ও রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়ার মুখে পড়েন তিনি।

তার ওই মন্তব্যে দেশটির জাতিগত চীনা ও ভারতীয় সংখ্যালঘুদের প্রসঙ্গ ছিল। পরে ওই মন্তব্যের জন্য তিনি মালয়েশীয়দের কাছে ক্ষমা চান এবং মালয়েশিয়ার কর্তৃপক্ষ কয়েকটি রাজ্যে তাকে জনসমক্ষে বক্তব্য দেওয়ার ওপর সাময়িক নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল।

ডি

banner
Link copied!