ঢাকা মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ, ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২
Daily Global News

চুয়াডাঙ্গায় রমজানের শুরুতেই বাজারে আগুন: ইফতার সামগ্রীর দাম আকাশচুম্বী

চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২৬, ০৩:৩২ পিএম

চুয়াডাঙ্গায় রমজানের শুরুতেই বাজারে আগুন: ইফতার সামগ্রীর দাম আকাশচুম্বী

পবিত্র রমজান মাস শুরু হতে না হতেই চুয়াডাঙ্গার বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম লাগামহীনভাবে বেড়ে গেছে। বিশেষ করে ইফতার ও সেহরিতে বহুল ব্যবহৃত সবজি ও ফলের দাম সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে যাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো।

মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) শহরের বড় বাজারের নিচের বাজার ঘুরে দেখা যায়, পণ্যের চড়া দামে ক্রেতাদের মাঝে চরম অসন্তোষ বিরাজ করছে।

বাজারে সবচেয়ে বেশি বেড়েছে খেজুর, লেবু, বেগুন ও শসার দাম। গত সপ্তাহে যে খেজুর ২০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে, তা এখন ৪০০ টাকায় ঠেকেছে। সবজির বাজারেও একই অবস্থা: বেগুন ৮০ টাকা থেকে বেড়ে ১২০ টাকা, লেবু ৪০ টাকা হালি থেকে বেড়ে ৮০ টাকা, কাঁচা মরিচ ২০০ টাকার ওপরে কেজি। আপেল কেজিপ্রতি ৩৮০ টাকা এবং মাল্টা ৩৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

ব্যাংকার হুমায়ুন কবির ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘বেতন তো বাড়ে না, কিন্তু রোজায় দ্রব্যমূল্য ঠিকই বেড়ে যায়। পকেটে টাকা থাকলেও এখন বাজারের ব্যাগ ভরে কেনাকাটা করা কঠিন।’ একই চিত্র দেখা গেছে তরমুজের বাজারেও; সরবরাহ কম থাকার অযুহাতে প্রতিটি তরমুজ ৩০০ থেকে ৪০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

ইফতার পণ্যের দাম চড়া হলেও মাছ ও মাংসের বাজারে উল্টো চিত্র দেখা গেছে। মাছ বিক্রেতা শ্রী পুন্নে বিশ্বাস জানান, রোজার কারণে মাছের চাহিদা কমে যাওয়ায় দাম ১৫০ থেকে ২০০ টাকা পর্যন্ত কমেছে। মুরগি বিক্রেতা নাজিম জানান, শীতের মৌসুম শেষে মুরগির দাম এখন কিছুটা কম এবং বাজার নিয়ন্ত্রণে আছে।

খুচরা বিক্রেতাদের দাবি, পাইকারি বাজারে সিন্ডিকেট ও মজুদদারির কারণে কৃত্রিম সংকট তৈরি হয়েছে। সবজি বিক্রেতা শাহিন আলী জানান, আমদানি কম এবং চাহিদা বেশি হওয়ায় দাম বেড়েছে।

চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসন ও ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর নিয়মিত অভিযান চালালেও বাজারে তার কোনো দৃশ্যমান প্রভাব নেই বলে দাবি সাধারণ ক্রেতাদের। মধ্যবিত্তদের টিকে থাকার স্বার্থে বাজার মনিটরিং আরও জোরদার করার দাবি জানিয়েছেন ভোক্তা জেসমিন আক্তারসহ সাধারণ ক্রেতারা।

ডিজিএন/এফএ

banner
Link copied!