চট্টগ্রামের হালিশহরের গ্যাস লাইন বিস্ফোরণের ঘটনায় মৃত্যুর সংখ্যা আরও বেড়েছে। মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত ১০টা ৪৭ মিনিটে রাজধানীর জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আসুরা আক্তার পাখি (৩০) মারা গেছেন। এ নিয়ে ভয়াবহ এই বিস্ফোরণে একই পরিবারের চারজনের মৃত্যু হলো।
বার্ন ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক ডা. শাওন বিন রহমান পাখির মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করে জানান, তার শরীরের ১০০ শতাংশই দগ্ধ ছিল। পোড়া ক্ষত গভীর হওয়ার পাশাপাশি তার শ্বাসনালিও মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত (ইনহেলেশন ইনজুরি) হয়েছিল। চিকিৎসকদের আপ্রাণ চেষ্টার পরও তাকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি। মৃত আসুরার বাড়ি চাঁদপুর জেলার কচুয়া থানার রহিমানগর গ্রামে।
এর আগে একই ঘটনায় নুরজাহান আক্তার ও তার ছেলে শাওন এবং দেবর সুমনের মৃত্যু হয়। সর্বশেষ পাখি আক্তারের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে চারজনে।
বর্তমানে হাসপাতালে আরও ৫ জন চিকিৎসাধীন রয়েছেন। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তাদের প্রত্যেকের শরীরই দগ্ধ এবং অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক। তারা সবাই নিবিড় পর্যবেক্ষণে রয়েছেন।
উল্লেখ্য, গত সোমবার ভোরে হালিশহরের একটি ভবনের তিনতলার ফ্ল্যাটে জমে থাকা গ্যাস থেকে এই ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটে। পতুর্গাল প্রবাসী সুমনের পরিবার বেড়াতে এসে এই দুর্ঘটনার শিকার হয়। এক নিমেষেই হাসিখুশি পরিবারটি এখন লাশের সারিতে পরিণত হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :