শহীদ শরীফ ওসমান হাদি হত্যার বিচার ও ইনকিলাব মঞ্চের আন্দোলন নিয়ে নিজেদের অবস্থান পরিষ্কার করেছে অন্তর্বর্তী সরকার। শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানানো হয়, হাদি হত্যাকাণ্ডের তদন্ত জাতিসংঘের অধীনে করার আইনগত দিকগুলো পর্যালোচনা করা হচ্ছে এবং এ বিষয়ে আগামী রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) জাতিসংঘকে আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠি পাঠানো হবে।
বিবৃতিতে বলা হয়, যমুনা এলাকায় সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ থাকা সত্ত্বেও ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীরা ব্যারিকেড ভেঙে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবনের দিকে অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা করেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ সাউন্ড গ্রেনেড ও জলকামান ব্যবহার করলেও কোনো ধরনের গুলি ছোড়া হয়নি। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) নিশ্চিত করেছে যে, বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে কোনো ‘ঘাতক অস্ত্র’ ব্যবহার করা হয়নি।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের তথ্যের বরাতে সরকার জানায়, এ ঘটনায় ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আবদুল্লাহ আল জাবেরসহ মোট ২৩ জন আহত হয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন। তবে চিকিৎসকরা নিশ্চিত করেছেন যে, আহতদের কারও শরীরেই গুলির আঘাত নেই।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনকে একটি ‘ঐতিহাসিক মাইলফলক’ উল্লেখ করে বিবৃতিতে বলা হয়, এই সংবেদনশীল সময়ে সকলকে ধৈর্য ও সংযম বজায় রাখতে হবে। বিদেশি পর্যবেক্ষক ও সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে দেশের ভাবমূর্তি বজায় রেখে একটি উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন সফল করতে দেশবাসীর সহযোগিতা চেয়েছে সরকার।


আপনার মতামত লিখুন :