ঢাকা মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ, ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২
Daily Global News
ভোট ও গণভোট

ফলাফল পেতে দেরি হতে পারে, যেভাবে হবে গণনা ও ঘোষণা

ডিজিএন ডেস্ক

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৬, ০৭:১৫ পিএম

ফলাফল পেতে দেরি হতে পারে, যেভাবে হবে গণনা ও ঘোষণা

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো একই দিনে জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়নের গণভোট অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। দুটি গুরুত্বপূর্ণ ভোট একসঙ্গে হওয়ায় ফলাফল ঘোষণায় কিছুটা বিলম্ব হতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ভোটারদের সুবিধার্থে ভোটগ্রহণের সময়ও ১ ঘণ্টা বাড়ানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত একটানা ভোটগ্রহণ চলবে। তবে নির্দিষ্ট সময়ের পরও কেন্দ্রের সীমানায় ভোটার থাকলে তাদের ভোট নেওয়া হবে। এবার সংসদ নির্বাচনের জন্য সাদা এবং গণভোটের জন্য গোলাপি রঙের ব্যালট পেপার ব্যবহার করা হবে।

ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পর প্রিসাইডিং কর্মকর্তার তত্ত্বাবধানে পোলিং এজেন্ট, সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষকদের সামনেই ব্যালট বাক্স খোলা হবে। গণনার শুরুতে দুটি ব্যালট আলাদা করা হবে।

সংসদ নির্বাচন: ১৬ নম্বর ফরমে প্রার্থীদের নাম ও প্রতীক অনুযায়ী ভোট গণনা হবে।

গণভোট: ‘হ্যাঁ’ এবং ‘না’—এই দুই ভাগে ব্যালট আলাদা করে গণনা করা হবে। ইসি সচিবালয় জানিয়েছে, এবার প্রথমবারের মতো বৃহৎ পরিসরে প্রবাসী ও সরকারি কর্মকর্তাদের দেওয়া পোস্টাল ব্যালটও এই গণনায় যুক্ত হবে।

ফলাফল টেম্পারিং বা পরিবর্তনের সুযোগ আছে কি? ফলাফল পরিবর্তনের আশঙ্কা নিয়ে ইসির সাবেক অতিরিক্ত সচিব জেসমিন টুলী বলেন, “প্রতিটি কেন্দ্রের ফলাফল প্রার্থীদের এজেন্টদের সামনেই প্রস্তুত করা হয়। এরপর রেজাল্ট শিটে এজেন্টদের স্বাক্ষর নেওয়া হয় এবং একটি কপি কেন্দ্রের নোটিশ বোর্ডে টাঙিয়ে দেওয়া হয়। ফলে কেন্দ্র থেকে কন্ট্রোল রুমে যাওয়ার পথে বা পরে ফলাফল পরিবর্তনের সুযোগ প্রায় নেই বললেই চলে।”

ইসির আরএমএস সার্ভারে কেন্দ্রভিত্তিক ফলাফল স্ক্যান করে আপলোড করা হবে। যদি কোনো অসংগতি দেখা দেয়, তবে প্রার্থীর কাছে থাকা কেন্দ্রের কার্বন কপি দিয়ে তা চ্যালেঞ্জ করার সুযোগ রয়েছে। তবে অতীতে এজেন্টদের বের করে দিয়ে কারচুপির যে অভিযোগ উঠেছিল, তা ঠেকাতে এবার প্রতিটি কেন্দ্রে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি পোলিং এজেন্টদের সক্রিয় ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়েছে ইসি।

সব কেন্দ্রের ফলাফল ও পোস্টাল ব্যালট যোগ করে সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তা চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা করবেন। কোনো কেন্দ্রে সহিংসতা বা ব্যালট ছিনতাই হলে কমিশন সেই কেন্দ্রের ভোট স্থগিত বা বাতিল করতে পারে। যদি স্থগিত কেন্দ্রের ভোটের সংখ্যা প্রার্থীর জয়ের ব্যবধানের চেয়ে বেশি হয়, তবে সেখানে পুনরায় ভোট নেওয়া হবে।

ডিজিএন/এনএস

banner
Link copied!