শেষ হলো ব্যালট যুদ্ধের লড়াই। আজ বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৪টায় সারাদেশের ২৯৯টি সংসদীয় আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও সংবিধান সংস্কার সংক্রান্ত গণভোটের নির্ধারিত সময় শেষ হয়েছে। তবে অনেক কেন্দ্রে ভোটারের দীর্ঘ সারি থাকায় নির্ধারিত সময়ের পরেও ভোট নেওয়া হচ্ছে। এখন কেন্দ্রে কেন্দ্রে শুরু হয়েছে ভোট গণনা।
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের দেড় বছর পর একটি নির্বাচিত সরকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে আজ ব্যালট বাক্সে রায় দিলেন ১২ কোটিরও বেশি ভোটার। এবারের নির্বাচনের অনন্য বৈশিষ্ট্য ছিল সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি ‘গণভোট’। সংবিধানের মৌলিক পরিবর্তনের পক্ষে ও বিপক্ষে ‘হ্যাঁ’-‘না’ ভোটের মাধ্যমে আগামীর বাংলাদেশের গতিপথ নির্ধারণ করবেন নাগরিকেরা।
সার্বিকভাবে ভোট শান্তিপূর্ণ হলেও বিচ্ছিন্ন কয়েকটি সহিংসতা ও অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যু এই উৎসবকে কিছুটা ম্লান করেছে। মুন্সীগঞ্জ ও গোপালগঞ্জে ককটেল বিস্ফোরণ এবং দেশের বিভিন্ন স্থানে প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে ধস্তাধস্তির খবর পাওয়া গেছে। এছাড়া, ভোট দিতে এসে খুলনা, চট্টগ্রাম ও ঢাকায় চারজন ব্যক্তি অসুস্থ হয়ে মারা গেছেন, যা নির্বাচনী পরিবেশে শোকের ছায়া ফেলেছে।
ভোটগ্রহণ চলাকালে বিএনপি ও জামায়াতসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল কেন্দ্র দখল বা পোলিং এজেন্টদের বের করে দেওয়ার কিছু অভিযোগ আনলেও সার্বিক বিচারে নির্বাচনকে সন্তোষজনক হিসেবে দেখছে বড় দলগুলো। এখন বড় প্রশ্ন গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়ী হয়ে সংবিধানের আমূল পরিবর্তন আনবে কি না, আর সংসদীয় আসনে কার হাতে যাচ্ছে আগামীর ক্ষমতা।


আপনার মতামত লিখুন :