আগামী মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) থেকে শুরু হচ্ছে বাংলাদেশের সংসদীয় রাজনীতির নতুন পথচলা। এদিন সকালে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ এবং বিকেলে নতুন মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। আজ রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল এই তথ্য নিশ্চিত করেন।
সাধারণত বঙ্গভবনে মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠান হলেও এবার বড় ধরনের পরিবর্তন আনা হয়েছে। আইন উপদেষ্টা জানান: সকাল ১০টা (শপথকক্ষ): নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ পড়ানো হবে জাতীয় সংসদ ভবনের ভেতরে। এই শপথ পড়াবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দীন।
বিকেল ৪টা (দক্ষিণ প্লাজা): জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় উন্মুক্ত পরিবেশে প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠিত হবে। এটি পড়াবেন মহামান্য রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন।
মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠান বঙ্গভবনের চার দেয়াল থেকে বের করে সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় আনার কারণ হিসেবে আসিফ নজরুল বলেন, এটি মূলত বিজয় অর্জন করা দল বিএনপির অভিপ্রায়। জুলাই-আগস্টের গণ-অভ্যুত্থান এবং জুলাই সনদের ঐতিহাসিক গুরুত্ব বিবেচনায় সংসদ ভবন এলাকাকেই গণতন্ত্রের কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে।
শপথ অনুষ্ঠানে সার্কভুক্ত দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। এছাড়া ভারতের লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা বাংলাদেশের এই ঐতিহাসিক মাহেন্দ্রক্ষণে উপস্থিত থাকবেন বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। এদিকে এনসিপি (জাতীয় নাগরিক পার্টি) ‘ছায়া মন্ত্রিসভা’ গঠনের ঘোষণা দেওয়ায় রাজনৈতিক অঙ্গনে এক নতুন চর্চার আভাস পাওয়া যাচ্ছে।
আগামী মন্ত্রিসভায় নিজের থাকার সম্ভাবনা উড়িয়ে দিয়ে আইন উপদেষ্টা বলেন, “মন্ত্রিসভায় আমার থাকার প্রশ্নই ওঠে না।” অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্ব সফলভাবে শেষ করে তিনি পুনরায় তাঁর শিক্ষকতা পেশায় ফেরার ইঙ্গিত দেন।


আপনার মতামত লিখুন :