ফ্যামিলি কার্ড পাইয়ে দেওয়ার নাম করে বেআইনি লেনদেন ও প্রতারণার অভিযোগ আসতেই কঠোর অবস্থান নিয়েছে সরকার। মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় রাজধানীর ধানমন্ডিতে নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. এ বি এম জাহিদ হোসেন স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, এই কার্ড নিয়ে কেউ প্রতারণা করলে তাকে কঠোর শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে।
মন্ত্রী জানান, এটি একটি ‘ইউনিভার্সাল’ বা সর্বজনীন কার্ড। তিনি বলেন, “ফ্যামিলি কার্ড পাওয়ার জন্য কোনো রাজনৈতিক তদবির বা ভায়া ধরার প্রয়োজন নেই। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে হতদরিদ্র, দরিদ্র এবং নিম্নবিত্ত এই তিন শ্রেণির সব পরিবারই পর্যায়ক্রমে এই কার্ড পাবেন। ইনশাআল্লাহ, কেউ বাদ যাবে না।”
রাজধানীর কড়াইল বস্তি এবং ময়মনসিংহের কিছু এলাকায় ফ্যামিলি কার্ডের নাম করে একটি চক্র সাধারণ মানুষের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে বলে তথ্য পেয়েছে মন্ত্রণালয়।
এ প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, “আমরা ইউনিয়ন পর্যায়ে সরাসরি বাড়ি বাড়ি গিয়ে ম্যানুয়ালি তথ্য সংগ্রহ করছি। তথ্য অফলাইন ও অনলাইনেও দেওয়া যাবে। তবে এর বিনিময়ে কোনো অর্থ লেনদেনের অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
মন্ত্রী আরও জানান, আগামী ৪ বছরের মধ্যে সারা দেশে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেওয়া হবে। উপকারভোগীদের সব তথ্য বিশেষ সফটওয়্যারে সংরক্ষিত থাকবে। স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ ব্যাংকের তত্ত্বাবধানে গ্রাহক তার পছন্দমতো যেকোনো ব্যাংক থেকে মাসিক ভাতার টাকা তুলতে পারবেন।
আগামী ১০ মার্চ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের ১৪টি উপজেলার ১৪টি ওয়ার্ডে এই ঐতিহাসিক প্রকল্পের পাইলটিং কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন।


আপনার মতামত লিখুন :