আজ ২৫ ফেব্রুয়ারি, রক্তক্ষয়ী পিলখানা ট্র্যাজেডির ১৭ বছর। ২০০৯ সালের এই দিনে তৎকালীন বিডিআর (বর্তমান বিজিবি) সদর দপ্তরে বিদ্রোহের নামে ৫৭ জন মেধাবী সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জনকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছিল। গত বছর রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর এই দিনটিকে `জাতীয় শহীদ সেনা দিবস` হিসেবে ঘোষণা করা হয়। আজ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দিবসটি পালিত হচ্ছে।
দিবসটি উপলক্ষে দেওয়া বাণীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, “২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি পিলখানায় যে হত্যাকাণ্ড ঘটেছিল, তা ছিল দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব বিরোধী এক গভীর ষড়যন্ত্র। গত ১৫ বছর দিনটিকে যথাযোগ্য গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। ২০২৪ সালে দেশ ফ্যাসিবাদমুক্ত হওয়ার পর থেকে আমরা একে ‘জাতীয় শহীদ সেনা দিবস’ হিসেবে পালন করছি।” তিনি আরও যোগ করেন, এই হত্যাকাণ্ডের নেপথ্য কুশলী ও ষড়যন্ত্রকারীদের বিচার নিশ্চিত করা হবে।
২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি পিলখানায় তৎকালীন বিডিআর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল শাকিল আহমেদসহ সেনা কর্মকর্তাদের হত্যা করে লাশ গুম ও পুড়িয়ে ফেলার চেষ্টা করা হয়। এমনকি তাঁদের পরিবারের সদস্যদের ওপরও চালানো হয় অকথ্য নির্যাতন। প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা এই ঘটনাকে বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীর মনোবলে আঘাত হানার এক সুপরিকল্পিত চক্রান্ত হিসেবে চিহ্নিত করেন।
দিবসটি উপলক্ষে বনানী সামরিক কবরস্থানে শহীদদের স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, তিন বাহিনীর প্রধানগণ এবং শহীদদের স্বজনরা। সারা দেশের সেনানিবাস ও বিজিবি সদর দপ্তরে শহীদদের স্মরণে বিশেষ দোয়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :