চলতি বছর (২০২৬ সাল) সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ পালনে যাওয়া নিবন্ধিত হাজিদের খরচ শেষে উদ্বৃত্ত থাকা ৪ কোটি ৮৭ লাখ টাকা সরাসরি তাঁদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ফেরত দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। আজ রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে এ তথ্য জানান ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন (কায়কোবাদ)।
সংবাদ সম্মেলনে ধর্মমন্ত্রী জানান, হজের সামগ্রিক ব্যবস্থাপনা, বিমানভাড়া, সৌদি আরবে মক্কা-মদিনায় বাড়িভাড়া ও মোয়াল্লেম ফিসহ আনুষঙ্গিক অন্যান্য ব্যয় মেটানোর পর এই অর্থ উদ্বৃত্ত রয়েছে। সরকারি তহবিলে এই টাকা ফেলে না রেখে বা অন্য কোনো খাতে ব্যয় না করে প্রকৃত পাওনাদারদের কাছেই ফিরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
টাকা ফেরতের প্রক্রিয়া সম্পর্কে মন্ত্রী বলেন, সম্পূর্ণ স্বচ্ছ উপায়ে এই বিপুল অর্থ প্রত্যেক হজ পালনকারীর নিজ নিজ ব্যাংক অ্যাকাউন্টে সরাসরি পাঠিয়ে দেওয়া হবে। হজের নিবন্ধনের সময় হাজিরা যে ব্যাংক হিসাবের তথ্য দিয়েছিলেন, সেই হিসাবেই আনুপাতিক হারে টাকা পৌঁছে যাবে।
এর ফলে টাকা উত্তোলনের জন্য হাজিদের কোনো মধ্যস্বত্বভোগী বা দালালের দ্বারস্থ হতে হবে না এবং তাঁরা কোনো ধরনের হয়রানির শিকারও হবেন না। খুব দ্রুতই অর্থ স্থানান্তরের এই প্রক্রিয়া শুরু হবে বলে তিনি নিশ্চিত করেন।
এ সময় ধর্ম মন্ত্রণালয়ের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন। সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয়, আগামী বছরগুলোতে হজ ব্যবস্থাপনা আরও উন্নত ও সাশ্রয়ী করতে সরকার ইতিমধ্যে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। হজ ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতেই হাজিদের এই উদ্বৃত্ত অর্থ স্বয়ংক্রিয়ভাবে ফেরত দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন ধর্মমন্ত্রী।


আপনার মতামত লিখুন :