চট্টগ্রাম-১ (মিরসরাই) আসনে ধানের শীষের প্রার্থী নুরুল আমিন চেয়ারম্যানের ঐতিহাসিক বিজয়ে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছার জোয়ারে ভাসছে পুরো মিরসরাই। দীর্ঘ রাজনৈতিক লড়াই আর তৃণমূলের সাথে নিবিড় সম্পর্কের ফসল হিসেবে এই বিজয়কে দেখছেন সাধারণ মানুষ। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) নির্বাচনের চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণার পর থেকেই বিভিন্ন সামাজিক, রাজনৈতিক ও পেশাজীবী সংগঠন তাঁকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানাচ্ছে।
নির্বাচন কমিশনের বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী, নুরুল আমিন ১ লাখ ২৮ হাজার ৭৯৯ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর অ্যাডভোকেট সাইফুর রহমান পেয়েছেন ৮৪ হাজার ৫৩৮ ভোট। জয়ের পর নুরুল আমিনকে প্রথমেই অভিনন্দন জানান তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী অ্যাডভোকেট সাইফুর রহমান। তিনি এক বার্তায় মিরসরাইবাসীর শান্তি ও স্বস্তির পথে নুরুল আমিনের নেতৃত্বের সফলতা কামনা করেন।

এছাড়াও মিরসরাই উপজেলা বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল এবং স্থানীয় বিভিন্ন বণিক সমিতি, শিক্ষক সংগঠন ও সাধারণ ভোটাদের পক্ষ থেকে তাঁকে অভিনন্দন জানানো হচ্ছে। নবনির্বাচিত এই সংসদ সদস্যকে শুভেচ্ছা জানাতে তাঁর বাসভবনে ভিড় জমাচ্ছেন শত শত নেতাকর্মী।
নুরুল আমিন মিরসরাইয়ের রাজনীতির এক পরিচিত ও জনপ্রিয় মুখ। তাঁর রাজনৈতিক জীবন মূলত তৃণমূল থেকে শুরু হয়েছে। জন্ম: ১৯৬৮ সালের ১ জানুয়ারি মিরসরাইয়ের ওসমানপুর ইউনিয়নের পাতাকোট গ্রামে।
রাজনৈতিক ক্যারিয়ার: ২০০৩ সালে ওসমানপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার মাধ্যমে তাঁর জনপ্রতিনিধিত্ব শুরু। এরপর ২০১৪ সালে তিনি মিরসরাই উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন (পরবর্তীতে রাজনৈতিক কারণে বরখাস্ত হন)।
বিএনপিতে অবস্থান: তিনি উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং দলের কঠিন সময়ে স্থানীয় নেতাকর্মীদের আগলে রেখেছেন। ২০১৮ সালেও তিনি ধানের শীষের মনোনয়ন পেয়েছিলেন।

বিজয় পরবর্তী এক সংক্ষিপ্ত প্রতিক্রিয়ায় নুরুল আমিন বলেন, “এই বিজয় মিরসরাইয়ের সর্বস্তরের জনগণের। আমি আপনাদের খাদেম হয়ে থাকতে চাই। মিরসরাইকে একটি আধুনিক, শান্ত ও সমৃদ্ধ জনপদ হিসেবে গড়ে তোলাই হবে আমার মূল লক্ষ্য।”


আপনার মতামত লিখুন :