ঢাকা মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১ বৈশাখ ১৪৩৩
Daily Global News

জীবননগরে উন্নয়ন প্রকল্পের কমিশন আদায়ের অভিযোগ ‘ভিত্তিহীন’

চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি

প্রকাশিত: এপ্রিল ১, ২০২৬, ১০:৫১ পিএম

জীবননগরে উন্নয়ন প্রকল্পের কমিশন আদায়ের অভিযোগ ‘ভিত্তিহীন’

চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলায় উন্নয়ন প্রকল্প থেকে কমিশন গ্রহণের যে অভিযোগ উঠেছে, তাকে ‘সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ বলে দাবি করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আশরাফুল ইসলাম রাসেল।

তিনি জানিয়েছেন, যেসব প্রকল্পের বিল নিয়ে বিতর্ক তোলা হচ্ছে, সেগুলো তাঁর যোগদানের আগের কাজ এবং এখানে কোনো প্রকার আর্থিক অনিয়মের সুযোগ নেই।

সম্প্রতি স্থানীয় একটি সংবাদপত্রে প্রকাশিত “জীবননগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আশরাফুল ইসলামের বিরুদ্ধে উন্নয়ন প্রকল্পের বিলের কমিশন আদায়ের অভিযোগ” শীর্ষক সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে এসব কথা বলেন তিনি।

ইউএনও আশরাফুল ইসলাম রাসেল জানান, তিনি জাতীয় নির্বাচনের মাত্র কয়েকদিন আগে জীবননগরে যোগদান করেছেন। সংবাদে এডিপি ও ইউডিএফ প্রকল্পের যে কাজের কথা বলা হয়েছে, সেগুলো মূলত সাবেক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আল আমিন-এর সময়ে সম্পন্ন হয়েছে।

ইউএনও বলেন, “আমার যোগদানের পর নতুন কোনো প্রকল্প বাস্তবায়ন হয়নি। আগের সময়ের সম্পন্ন হওয়া কাজের বিলের ক্ষেত্রে পার্সেন্টেজ নেওয়ার যে অভিযোগ তোলা হয়েছে, তার কোনো সত্যতা নেই। আমাকে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্যই একটি বিশেষ চক্র এই ভিত্তিহীন প্রচারণা চালাচ্ছে।”

প্রকল্পের বিল থেকে অতিরিক্ত অর্থ কেটে রাখার যে অভিযোগ উঠেছে, সে বিষয়ে ইউএনও স্পষ্ট করেন যে, সরকারি বিধি মেনেই ভ্যাট এবং আইটি (আয়কর) কাটা হয়েছে।

তিনি বলেন, “এই অর্থ কাটার প্রক্রিয়াটি সরাসরি উপজেলা প্রকৌশলী (ইঞ্জিনিয়ার) অফিসের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। এখানে ব্যক্তিগতভাবে অতিরিক্ত অর্থ গ্রহণ বা অনিয়ম করার কোনো সুযোগ নেই।”

সংশ্লিষ্ট বিষয়ে বিস্তারিত জানতে জীবননগর উপজেলা প্রকৌশলী আশরাফুল ইসলামের মুঠোফোনে বারবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি। ফলে কারিগরি বা প্রকৌশল দপ্তরের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি।

এদিকে, বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলে বেশ আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। তবে প্রশাসনের শীর্ষ পর্যায় থেকে অভিযোগগুলো নাকচ করে দেওয়ায় বিতর্কের অবসান ঘটবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

ইউএনও জানিয়েছেন, স্বচ্ছতা বজায় রেখে দাপ্তরিক কাজ পরিচালনা করাই তাঁর মূল লক্ষ্য এবং অপপ্রচারের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপের বিষয়টিও বিবেচনাধীন।

ডিজিএন/এফএ

banner
Link copied!