ঢাকা মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ, ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২
Daily Global News

বুধবার থেকে টানা ৪ দিন ব্যাংক-আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৬, ১১:১৭ এএম

বুধবার থেকে টানা ৪ দিন ব্যাংক-আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও রাষ্ট্র সংস্কারের লক্ষ্যে ‘গণভোট’ উপলক্ষে দেশে এক টানা চার দিনের ছুটির কবলে পড়ছে ব্যাংক ও আর্থিক খাত। নির্বাহী আদেশে আগামীকাল বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) ও পরশু বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সব তফসিলি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। এরপর শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি যুক্ত হওয়ায় টানা চার দিন লেনদেন বন্ধ থাকছে।

সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের সুপারভাইজরি ডেটা ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড এনালিটিক্স ডিপার্টমেন্ট (এসডিএডি) এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও বাজার বিভাগ (ডিএফআইএম) পৃথক বিজ্ঞপ্তিতে এই ছুটির নির্দেশনা জারি করেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১-এর ৪৫ ধারায় অর্পিত ক্ষমতাবলে ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি সব তফসিলি ব্যাংক বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

অন্যদিকে, আর্থিক প্রতিষ্ঠান আইন, ২০২৩-এর ৪১(২)(ঘ) ধারার ক্ষমতাবলে একই সময়ে সব আর্থিক প্রতিষ্ঠানও বন্ধ থাকবে।

এর আগে গত ২৫ জানুয়ারি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি দেশব্যাপী সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে। মূলত ভোটারদের নিজ নিজ এলাকায় গিয়ে ভোটদান নিশ্চিত করতে এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতেই ছুটির এই পরিধি বাড়ানো হয়েছে। ১৩ ও ১৪ ফেব্রুয়ারি (শুক্রবার ও শনিবার) সাপ্তাহিক ছুটি হওয়ায় ব্যাংকগুলো পুনরায় ১৫ ফেব্রুয়ারি রবিবার থেকে নিয়মিত লেনদেনে ফিরবে।

এদিকে নির্বাচনের সময় নগদ টাকার অপব্যবহার রোধে মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস (MFS) যেমন—বিকাশ, নগদ বা রকেটে লেনদেনের ওপর কড়াকড়ি আরোপ করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। ৯ ফেব্রুয়ারি থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি রাত পর্যন্ত এমএফএস-এর মাধ্যমে ব্যক্তি থেকে ব্যক্তি লেনদেনের সীমা দৈনিক সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা এবং প্রতিবারে সর্বোচ্চ ১ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এছাড়া ইন্টারনেট ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে ফান্ড ট্রান্সফার সেবাটি এই সময়ে পুরোপুরি বন্ধ থাকবে। তবে এটিএম বুথ থেকে টাকা তোলা এবং মার্চেন্ট পেমেন্ট বা ইউটিলিটি বিল পরিশোধের সেবা স্বাভাবিক থাকবে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই নির্দেশনা ইতিমধ্যে দেশের সব ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো হয়েছে।

ডিজিএন/এনএস

banner
Link copied!