ঢাকা মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ, ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২
Daily Global News

রমজানে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ: নতুন সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৬, ১০:২৬ এএম

রমজানে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ: নতুন সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ

আগামীকাল শপথ নিতে যাওয়া নতুন সরকারের সামনে প্রথম বড় পরীক্ষা হতে যাচ্ছে রমজানে নিত্যপণ্যের বাজার স্থিতিশীল রাখা। তবে বাংলাদেশ ব্যাংক এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে আশ্বস্ত করা হয়েছে যে, এবার বাজারে পণ্যের কোনো সংকট হবে না। গত বছরের তুলনায় এবার ভোগ্যপণ্যের আমদানি প্রায় ৪০ শতাংশ বেশি হয়েছে, যা সরকারের জন্য একটি স্বস্তিদায়ক পরিস্থিতি তৈরি করেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান জানিয়েছেন, রমজানকে সামনে রেখে নির্বাচনের আগেই প্রয়োজনীয় ভোগ্যপণ্য আমদানির এলসি সম্পন্ন হয়েছে। গত বছরের তুলনায় এবার পণ্য আমদানি বেড়েছে ৪০ শতাংশ।

রমজানের ১০টি প্রয়োজনীয় পণ্য (চাল, গম, পেঁয়াজ, ডাল, ভোজ্যতেল, চিনি, ছোলা, মটর, মশলা ও খেজুর) ৯০ দিনের বাকিতে আমদানির সুযোগ দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

বর্তমানে চট্টগ্রাম বন্দরসহ সব বন্দরে পণ্য খালাস কার্যক্রম স্বাভাবিক রয়েছে, ফলে বাজারে সরবরাহে কোনো ঘাটতি থাকবে না।

নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মানুষের স্বস্তির জন্য ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) বড় ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছে। রমজান মাসে সারা দেশে প্রায় ৩০ থেকে ৩৫ লাখ ভোক্তার কাছে ভর্তুকি মূল্যে পণ্য পৌঁছে দেওয়া হবে।

কার্ডধারী পরিবারের নিয়মিত পণ্যের (তেল, ডাল, চিনি) পাশাপাশি এবার ট্রাকে ছোলা ও খেজুরও সাশ্রয়ী মূল্যে বিক্রি করা হবে। রমজান শুরুর আগের দিন থেকেই এই ট্রাকসেল কার্যক্রম দেশজুড়ে চালু হতে পারে।

পণ্য পর্যাপ্ত থাকলেও অসাধু ব্যবসায়ীরা যাতে কৃত্রিম সংকট তৈরি করতে না পারে, সেদিকে কঠোর নজরদারি রাখছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। কেন্দ্রীয় ব্যাংক বলছে, চাহিদা অনুযায়ী জোগান থাকলে অর্থনীতির স্বাভাবিক নিয়মে দাম বাড়ার কথা নয়। আমদানিকারকরা যদি সময়মতো পণ্য বাজারে ছাড়েন, তবে দেশবাসী একটি স্বস্তিদায়ক রমজান পার করতে পারবে।

ডিজিএন/এনএস

banner
Link copied!