ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনেয়ীর নিহতের পর দেশটির শাসনভার গ্রহণ করেছে তিন সদস্যের একটি শক্তিশালী অন্তর্বর্তীকালীন পর্ষদ। ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ইরনা ও আল-জাজিরা জানিয়েছে, নতুন সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত এই পর্ষদই সাময়িকভাবে রাষ্ট্রের সব গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে।
ইরানের সংবিধান অনুযায়ী এই তিন সদস্যের নেতৃত্ব পর্ষদে থাকছেন, দেশের প্রেসিডেন্ট, বিচার বিভাগের প্রধান, গার্ডিয়ান কাউন্সিলের একজন জুরি।
এদিকে খামেনেয়ীর মৃত্যুর পরপরই মধ্যপ্রাচ্যে চরম যুদ্ধাবস্থা তৈরি হয়েছে। ইরানের প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম তাসনিম নিউজ জানিয়েছে, ইরান সরকার কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ `হরমুজ প্রণালি` দিয়ে সব ধরনের বাণিজ্যিক ও সামরিক জাহাজ চলাচল বন্ধ ঘোষণা করেছে। বিশ্বের মোট জ্বালানি তেলের একটি বড় অংশ এই পথ দিয়ে পরিবাহিত হয়, ফলে এই সিদ্ধান্তের প্রভাব বিশ্ব অর্থনীতিতে ভয়াবহ হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর থেকে ইরান এ পর্যন্ত দুজন সর্বোচ্চ নেতা পেয়েছে। আয়াতুল্লাহ খামেনেয়ী ছিলেন দেশটির সামরিক বাহিনীর কমান্ডার-ইন-চীফ এবং রাষ্ট্রের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দাতা। তাঁর মৃত্যুতে দেশটিতে আজ রবিবার থেকে ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক শুরু হয়েছে।
এখন বিশ্ববাসীর নজর বিশেষজ্ঞ পরিষদ বা `অ্যাসেম্বলি অব এক্সপার্টস`-এর দিকে, যারা পরবর্তী স্থায়ী সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচন করবেন।


আপনার মতামত লিখুন :