ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনী নিহত হওয়ার প্রতিবাদে এবং এর চরম প্রতিশোধ নিতে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে থাকা ২৭টি মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে একযোগে ভয়াবহ হামলা চালিয়েছে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। একই সঙ্গে ইসরায়েলের রাজধানী তেল আবিবসহ গুরুত্বপূর্ণ শহরগুলোতে ঝাঁকে ঝাঁকে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করছে ইরান।
দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, এটি ছিল তেহরানের পক্ষ থেকে চালানো ষষ্ঠ দফার প্রতিশোধমূলক হামলা। আইআরজিসি জানিয়েছে, তাদের লক্ষ্যবস্তুর তালিকায় ছিল মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ ২৭টি সামরিক ঘাঁটি।
তেল নোফ বিমান ঘাঁটি ইসরায়েলের অন্যতম প্রধান বিমান ঘাঁটি। তেল আবিবে অবস্থিত ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর প্রধান সদর দপ্তর। ইসরায়েলের একটি বিশাল সামরিক শিল্প এলাকা।
আইআরজিসি হুঁশিয়ারি দিয়েছে, এটি কেবল শুরু; ভবিষ্যতে আরও কঠোর এবং ভিন্নধর্মী আঘাতের মাধ্যমে শত্রু পক্ষকে শোচনীয় পরিণতির দিকে ঠেলে দেওয়া হবে।
অন্যদিকে, সর্বোচ্চ নেতার মৃত্যুসংবাদ নিশ্চিত হওয়ার পর তেহরানের রাস্তায় নেমে এসেছেন লাখো মানুষ। খামেনীর ছবি হাতে নারীদের কান্নায় ভেঙে পড়তে দেখা গেছে। পুরো দেশ এখন শোকের চাদরে ঢাকা। শোকাতুর জনতা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের পতাকায় অগ্নিসংযোগ করে প্রতিশোধের স্লোগান দিচ্ছে।
উদ্ভূত পরিস্থিতিতে দেশ চালাতে প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান, বিচারব্যবস্থার প্রধান এবং অভিভাবক কাউন্সিলের একজন আইন বিশেষজ্ঞকে নিয়ে তিন সদস্যের একটি অস্থায়ী কাউন্সিল গঠন করা হয়েছে। পরবর্তী সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত এই কাউন্সিলই যুদ্ধের ময়দান ও রাষ্ট্র পরিচালনা করবে।


আপনার মতামত লিখুন :