ঢাকা রবিবার, ১৫ মার্চ, ২০২৬, ১ চৈত্র ১৪৩২
Daily Global News

রোজায় ক্লান্তি ও বদহজম এড়াতে কেমন হবে খাদ্যাভ্যাস? জেনে নিন পুষ্টিবিদের পরামর্শ

লাইফস্টাইল ডেস্ক

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২৬, ০৬:৫১ পিএম

রোজায় ক্লান্তি ও বদহজম এড়াতে কেমন হবে খাদ্যাভ্যাস? জেনে নিন পুষ্টিবিদের পরামর্শ

রমজানের পবিত্রতা ও ইবাদতের মাঝে শরীরকে সুস্থ রাখা এক বড় চ্যালেঞ্জ। দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকার পর ইফতার ও সাহরিতে ভুল খাদ্যাভ্যাসের কারণে অনেকেই ক্লান্তি, অ্যাসিডিটি বা পানিশূন্যতায় ভোগেন। রাজধানীর নিউট্রিলার্নবিডির পুষ্টিবিদ রোকসানা তনু জানিয়েছেন, সঠিক খাবার নির্বাচন করলে রোজা রেখেও সারাদিন সতেজ থাকা সম্ভব।

পুষ্টিবিদের মতে, ইফতার মানেই ভাজাপোড়া বা অতিরিক্ত চিনির শরবত নয়। এগুলো দ্রুত রক্তে শর্করা বাড়িয়ে দেয় এবং তারাবির সময় শরীরে প্রচণ্ড ক্লান্তি আনে।

ইসবগুলের ভূসি, তোকমা, চিয়াসিড, ডাবের পানি বা লেবুর শরবত পান করুন। চিনিযুক্ত পানীয়র বদলে ‘পিংক সল্ট ওয়াটার’ বা বেলের শরবত বেশি উপকারী।

ফল: জুস না করে আস্ত ফল চিবিয়ে খান। এতে ফাইবার পাওয়া যায় যা হজমে সাহায্য করে।

সহজপাচ্য খাবার: লাল চিড়া, ওটস, টকদই ও ফল দিয়ে তৈরি খাবার আদর্শ। এছাড়া প্রোটিনের জন্য সেদ্ধ ছোলা বা ডিম রাখা যেতে পারে।

ইফতারে যারা ভারী খাবার খান, তাদের রাতের খাবার হালকা রাখা জরুরি। সবজি স্যুপ, সালাদ বা সামান্য দুধ ও বাদাম এক্ষেত্রে ভালো বিকল্প। সালাদে শসা, টমেটো বা ক্যাপসিকামের সাথে সামান্য অলিভ অয়েল যোগ করলে পুষ্টির ভারসাম্য বজায় থাকে।

অনেকেই ওজন কমানোর জন্য সাহরি এড়িয়ে যান, যা সম্পূর্ণ ভুল ধারণা। সাহরি না খেলে শরীর পানিশূন্য হয়ে পড়ে এবং ক্লান্তি বাড়ে।

সাহরির মেনু: লাল চালের ভাত, ডাল, সবজি, মাছ বা ডিম খান।

হালকা খাবার: যারা ভাত খেতে চান না, তারা দই-চিড়া, ওটস বা কলা ও দুধ খেতে পারেন।

সতর্কতা: সাহরিতে চা বা কফি এড়িয়ে চলুন, কারণ এগুলো শরীর থেকে দ্রুত পানি বের করে দেয় এবং তৃষ্ণা বাড়ায়।

রোজায় শুধু খাবারে নয়, জীবনযাপনেও সংযম প্রয়োজন। পর্যাপ্ত পানি পান নিশ্চিত করুন এবং শারীরিক প্রয়োজন বুঝে সচেতনভাবে খাবার গ্রহণ করুন। 

ডেইলি গ্লোবাল নিউজ

banner
Link copied!