ঢাকা রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩
Daily Global News

থার্ড টার্মিনাল চালু করতে আরও ৯০২ কোটি টাকা প্রয়োজন: সংসদে বিমানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: আগস্ট ৩০, ২০২৬, ০৯:০২ পিএম

থার্ড টার্মিনাল চালু করতে আরও ৯০২ কোটি টাকা প্রয়োজন: সংসদে বিমানমন্ত্রী

ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় (থার্ড) টার্মিনালের ভবন নির্মাণ শেষ হলেও আনুষঙ্গিক গুরুত্বপূর্ণ কিছু কাজ এখনো বাকি রয়েছে। এই অসম্পূর্ণ কাজ শেষ করে টার্মিনালটি পুরোপুরি চালু করতে আরও ৯০২ কোটি টাকা প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত।

এই অর্থ অনুমোদনের জন্য পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে এবং অর্থ মন্ত্রণালয়ও বরাদ্দের ব্যবস্থা করছে। আজ রোববার (৩০ আগস্ট) জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এসব তথ্য জানান।

নোয়াখালী-৬ আসনের জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সংসদ সদস্য আবদুল হান্নান মাসউদের একটি সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে বিমানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

আবদুল হান্নান তাঁর প্রশ্নে অভিযোগ করেন, ২০১৭ সালে শুরু হওয়া এই প্রকল্পের কাজ ইতিমধ্যে ৯৯ দশমিক ৯১ শতাংশ শেষ হয়েছে। বাকি মাত্র শূন্য দশমিক ০৯ শতাংশ কাজের জন্য নতুন করে আরও ৯০২ কোটি টাকা ব্যয় বাড়ানোর উদ্যোগে ঠিকাদারকে কোনো অনিয়মের সুযোগ দেওয়া হচ্ছে কি না, তা জানতে চান তিনি।

জবাবে বিমানমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, বর্তমান সরকার যখন দায়িত্ব নেয়, তখন এই প্রকল্পের ব্যয় প্রায় ২১ হাজার ৬০০ কোটি টাকায় পৌঁছেছিল। টার্মিনাল ভবন নির্মাণ করা হলেও এর সঙ্গে যুক্ত গুরুত্বপূর্ণ কিছু কাজ এবং আনা যন্ত্রপাতিগুলোর সমন্বয়ের কাজ এখনো সম্পন্ন হয়নি।

তিনি জানান, আগের কিছু বকেয়া এবং এই অবশিষ্ট কাজগুলো শেষ করতেই হিসাব করে অতিরিক্ত ৯০২ কোটি টাকা চাওয়া হয়েছে। এই অর্থ পরিশোধের পরই থার্ড টার্মিনালটি চালু করা সম্ভব হবে। এ ছাড়া জাইকার অর্থায়নে নির্মিত এই প্রকল্পের ঋণের একটি কিস্তি হিসেবে বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর ইতিমধ্যে প্রায় ১১০০ কোটি টাকা পরিশোধ করেছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

অতিরিক্ত বরাদ্দের যৌক্তিকতা তুলে ধরে মন্ত্রী আরও বলেন, তৃতীয় টার্মিনালটি দ্রুত চালু করা না গেলে প্রায় ২ দশমিক ১ বিলিয়ন ডলারের বিশাল একটি সম্পদ অব্যবহৃত পড়ে থাকবে। টার্মিনালটি চালু হলে যাত্রী পরিবহন সক্ষমতা প্রায় দ্বিগুণ হবে এবং আয় বাড়বে, যে আয় থেকে জাইকার ঋণ পরিশোধ করা সহজ হবে।

পরে সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য সুলতানা আহমেদের অপর এক প্রশ্নের জবাবে বিমানমন্ত্রী জানান, টার্মিনালটির প্রায় ৫৭ শতাংশ ‘অপারেশনাল রেডিনেস অ্যান্ড এয়ারপোর্ট ট্রান্সফার’ বা ওআরএটি কাজ ইতিমধ্যে শেষ হয়েছে। বাকি কাজ নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই শেষ করার সর্বাত্মক চেষ্টা চলছে।

ডিজিএন/এনএস

banner
Link copied!