ঢাকা শুক্রবার, ২৬ জুন, ২০২৬, ১২ আষাঢ় ১৪৩৩
Daily Global News

শ্রেণিকক্ষে অশান্তি, শিক্ষকের মর্যাদা ও সমাজের দায়

ওমর ফারুক

প্রকাশিত: জুন ২৬, ২০২৬, ১২:০২ পিএম

শ্রেণিকক্ষে অশান্তি, শিক্ষকের মর্যাদা ও সমাজের দায়

গত সোমবার (২২ জুন) টাঙ্গাইলের ঘাটাইলের ডা. শওকত আলী ভূঁইয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের এক শ্রেণিকক্ষ পরিণত হলো অশান্তির কেন্দ্রে- এমন এক ঘটনা, যা শুধু একটি বিদ্যালয়ের শৃঙ্খলাভঙ্গ নয়; বরং দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা, পারিবারিক মূল্যবোধ এবং সামাজিক সহনশীলতার গভীর সংকটকে সামনে এনে দাঁড় করিয়েছে।

নবম শ্রেণির এক ছাত্রের বিরুদ্ধে অভিযোগ শিক্ষিকাকে শারীরিকভাবে আঘাত করা, থাপ্পড় ও ঘুষি মারা। আপাতদৃষ্টিতে এটি একক ছাত্রের অপরাধ মনে হলেও ঘটনাটির পেছনে যে জটিল সামাজিক ও প্রাতিষ্ঠানিক বাস্তবতা কাজ করেছে, তা কোনোভাবেই উপেক্ষা করা যায় না। আমাদের চিরচেনা গুরু-শিষ্যের যে সুমহান ঐতিহ্য, তা আজ কোন অতলে তলিয়ে যাচ্ছে, এই ঘটনা যেন তারই এক নির্মম ও চাক্ষুষ দলিল।

এনটিআরসিএ’র মাধ্যমে সম্পূর্ণ মেধা ও আইনি প্রক্রিয়ায় নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষিকা গত প্রায় ছয় মাস ধরে এই বিদ্যালয়ে অত্যন্ত নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। ঘটনার দিন শ্রেণিকক্ষে পাঠ চলাকালে একপর্যায়ে চরম শৃঙ্খলাজনিত কারণে ওই নির্দিষ্ট শিক্ষার্থীকে শাসন করা হয় এবং অভিযোগ অনুযায়ী তাৎক্ষণিক পরিস্থিতি বিবেচনায় একটি থাপ্পড়ও দেওয়া হয়। এরপরই মূলত ক্লাসরুমের সামগ্রিক পরিবেশ নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। ওই ছাত্রটি আকস্মিক চরম উত্তেজিত হয়ে শিক্ষকের ওপর পাল্টা হিংস্র হামলা চালায় এবং উপর্যুপরি ধাক্কা, থাপ্পড় ও ঘুষি মারতে শুরু করে। দুঃখজনক বিষয় হলো, ঘটনার সময় শ্রেণিকক্ষে কিংবা আশেপাশে অন্য শিক্ষকেরা উপস্থিত থাকলেও তারা এই অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতি তাৎক্ষণিকভাবে নিয়ন্ত্রণে আনতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হন।

পরে এই গুরুতর ফৌজদারি অপরাধের বিষয়টি স্থানীয় ও অভ্যন্তরীণ এক সালিশি বৈঠকে গড়ায়। সেখানে অভিযুক্ত ছাত্রকে বিদ্যালয় থেকে সাময়িক বা স্থায়ী বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হলেও, তার বাবার ভূমিকা কিংবা দায়-দায়িত্বের বিষয়টি ধোঁয়াশাপূর্ণ অবস্থায় বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির ওপর ছেড়ে দেওয়া হয়। তবে ভুক্তভোগী শিক্ষক এই লোকদেখানো ও দায়সারা সমাধানে মোটেও সন্তুষ্ট হতে পারেননি এবং তিনি স্থানীয় প্রভাবের কারণে প্রকৃত ন্যায়বিচারের চরম ঘাটতি রয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছেন।

শিক্ষক-শিক্ষার্থীর পবিত্র সম্পর্কটি মূলত পারস্পরিক গভীর আস্থা, শ্রদ্ধা, নীতি ও শৃঙ্খলার এক অলিখিত স্তম্ভের ওপর দাঁড়িয়ে থাকে। শিক্ষক শ্রেণিকক্ষ ও শিক্ষার্থীর স্বার্থে শাসন করবেন, এটাই আবহমান বাংলার রীতি; তবে সেই শাসন অবশ্যই শিক্ষানীতিগত সীমার মধ্যে এবং মানবিক মর্যাদা বজায় রেখে হতে হবে, যাতে কোনোভাবেই শিক্ষার্থীর মনস্তাত্ত্বিক ক্ষতি না হয়। কিন্তু একই সাথে আমাদের এটিও মনে রাখতে হবে যে, শিক্ষার্থীর জন্য কোনো অবস্থাতেই বা যেকোনো উসকানিতেই শিক্ষকের ওপর শারীরিক বা মানসিক সহিংসতা চালানো কখনোই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।

সমাজবিজ্ঞানীদের মতে, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বাংলাদেশের শ্রেণিকক্ষগুলোতে ন্যূনতম শৃঙ্খলা ও শিষ্টাচার বজায় রাখা ক্রমশ কঠিন থেকে কঠিনতর হয়ে উঠছে। লাগামহীন প্রযুক্তির অপব্যবহার, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের নেতিবাচক সংস্কৃতি, পারিবারিক সঠিক তদারকি ও মনোযোগের তীব্র ঘাটতি এবং আধুনিক ভোগবাদী মূল্যবোধের আগ্রাসন কিশোর শিক্ষার্থীদের আচরণে মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। ফলে শিক্ষক-শিক্ষার্থীর মধ্যকার ঐতিহ্যবাহী পারস্পরিক যে অমলিন সম্মানবোধ, তা আজ দেশের অনেক প্রান্তেই ভেঙে পড়ছে।

ঘটনার আরেকটি অন্ধকার দিক হলো অভিযুক্ত শিক্ষার্থীর পারিবারিক ও স্থানীয় প্রভাবের মারপ্যাঁচ। জানা গেছে, ওই ছাত্রের বাবা খোদ ওই বিদ্যালয়েরই একজন কর্মচারী হওয়ায় স্কুলের অভ্যন্তরীণ ক্ষমতার ভারসাম্যে এক ধরনের অনৈতিক প্রভাব তৈরি হয়েছে। গ্রামীণ বা মফস্বল এলাকার স্কুলগুলোতে এ ধরনের অভ্যন্তরীণ গোষ্ঠীগত বা পেশাগত সম্পর্ক অনেক সময় অপরাধ দমনের চেয়ে অপরাধীকে আড়াল করার কাজে বেশি ব্যবহৃত হয়।

পারিবারিকভাবে যদি কোনো শিশুর আচরণে জন্ম নেওয়া আগ্রাসন, একগুঁয়েমি বা নিয়মভঙ্গের প্রবণতা দীর্ঘদিন ধরে মা-বাবার চোখে উপেক্ষিত থাকে, তবে বিদ্যালয়ের চার দেয়ালের শৃঙ্খলা একা সেই গভীর মনস্তাত্ত্বিক সমস্যা সামাল দিতে পারে না। বরং পরিবার ও বিদ্যালয়ের মধ্যে পারস্পরিক দায়বদ্ধতা ও সমন্বয়ের অভাব অনেক সময় এমন বড় ধরনের সংঘাতকে অবধারিতভাবে উসকে দেয়।

স্থানীয় সালিশি ব্যবস্থার মাধ্যমে যেকোনো উপায়ে ঘটনা ধামাচাপা দিয়ে দ্রুত সমাধানের চেষ্টা করা হলেও, এটি যে সবসময় দুর্বল পক্ষের জন্য ন্যায়বিচারের পূর্ণ নিশ্চয়তা দিতে পারে না, তা আরও একবার প্রমাণিত হলো। বিশেষ করে যেখানে স্থানীয় সামাজিক প্রভাব, ব্যক্তিগত আত্মীয়তার সম্পর্ক বা বিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ ক্ষমতার ভারসাম্য কাজ করে, সেখানে সালিশি ব্যবস্থা চরম পক্ষপাতদুষ্ট এবং একপেশে হয়ে যাওয়ার বড় ঝুঁকি থাকে।

এই বিশেষ ঘটনার ক্ষেত্রেও ভুক্তভোগী শিক্ষকের পক্ষ থেকে তীব্র অভিযোগ উঠেছে যে, নেওয়া সিদ্ধান্তে কোনো স্বচ্ছতা ছিল না এবং কোনো পূর্ণাঙ্গ তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়নি। এর ফলে ভুক্তভোগী শিক্ষক আজ নিজেকে চরমভাবে রাষ্ট্র ও সমাজ ব্যবস্থা থেকে ন্যায়বিচারবঞ্চিত মনে করছেন। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এমন ভয়ের ও অবিচারের সংস্কৃতি যদি দীর্ঘস্থায়ী রূপ নেয়, তবে তা সামগ্রিক শিক্ষক সমাজের মধ্যে এক চরম নিরাপত্তাহীনতা ও হতাশা তৈরি করবে, যা পুরো শিক্ষাব্যবস্থার কোমর ভেঙে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট।

একই সাথে এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার পেছনে বিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ প্রশাসনিক ও প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর চরম দুর্বলতা ও অযোগ্যতা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। একটি আদর্শ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত শৃঙ্খলা কমিটির যে কার্যকারিতা থাকার কথা ছিল, তা এখানে ছিল সম্পূর্ণ অনুপস্থিত। ঘটনা ঘটার পর তা যথাযথভাবে এবং অবিলম্বে ঊর্ধ্বতন শিক্ষা প্রশাসনকে না জানানো এবং স্থানীয় প্রশাসনের তদারকির অভাব-সব মিলিয়ে একটি অকার্যকর ও ভেঙে পড়া ব্যবস্থার চিত্রই আমাদের সামনে ভেসে ওঠে।

এছাড়া সংশ্লিষ্ট উপজেলা ও জেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের অনেক দেরিতে এই বিষয়ে অবহিত হওয়া প্রমাণ করে যে, মাঠপর্যায়ের মনিটরিং ও জবাবদিহিতা ব্যবস্থা কতটা নড়বড়ে। কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান যদি নিজেদের অভ্যন্তরীণ ইমেজ রক্ষার নামে এমন স্পর্শকাতর অপরাধের তথ্য গোপন রাখে বা ধামাচাপা দেওয়ার উদ্দেশ্যে দেরিতে জানায়, তবে সেই প্রাতিষ্ঠানিক সংকট আরও বেশি ঘনীভূত হয়।

এমন সংবেদনশীল ঘটনার পর স্থানীয় পর্যায়ে বিভিন্ন পক্ষের মধ্যে তীব্র উত্তেজনা তৈরি হওয়া এবং সালিশের পর পাল্টা নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া-এসবই মূলত আমাদের সমাজ ও রাষ্ট্রের সংঘাত ব্যবস্থাপনার চরম দুর্বলতাকে নির্দেশ করে। অনেক ক্ষেত্রে আইনি প্রক্রিয়াকে তোয়াক্কা না করে অন্ধ আবেগপ্রবণ সামাজিক প্রতিক্রিয়া ও ক্ষমতার দাপট মূল ন্যায়বিচার প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করে, যা পরিস্থিতিকে দীর্ঘমেয়াদে আরও বেশি অস্থিতিশীল করে তোলে। এই ধরনের শিক্ষক লাঞ্ছনার ঘটনায় যদি প্রথম মুহূর্তেই দ্রুত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও শিক্ষা প্রশাসনের সমন্বিত ও কঠোর হস্তক্ষেপ নিশ্চিত করা না যায়, তবে এই ছোট ছোট স্ফুলিঙ্গগুলোই ভবিষ্যতে কোনো এক দিন বড় ধরনের সামাজিক সংঘাত ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতিতে রূপ নিতে পারে।

তাই এই ঘটনা এখন আমাদের সামনে এক সুদূরপ্রসারী এবং বৃহত্তর জাতীয় সংকটকে হাজির করেছে-তা হলো, বাংলাদেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো কি আসলেই আমাদের সন্তানদের জন্য কিংবা আমাদের শিক্ষকদের জন্য নিরাপদ? যখন একজন মানুষ, বিশেষ করে একজন শ্রদ্ধেয় শিক্ষক খোদ তাঁর নিজের শ্রেণিকক্ষেই একজন শিক্ষার্থীর দ্বারা শারীরিকভাবে আক্রান্ত ও লাঞ্ছিত হন, তখন তা শুধু একজন ব্যক্তির ব্যক্তিগত অপমান নয়; বরং তা দেশের পুরো শিক্ষাব্যবস্থা, আইন ও সামাজিক কাঠামোর প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থার সংকট তৈরি করে।

একইভাবে, শিক্ষার্থীর ওপর যুগের পর যুগ ধরে চলা যেকোনো ধরনের অপ্রয়োজনীয়, নিষ্ঠুর বা চরম অপমানজনক শারীরিক শাসনও শিক্ষার্থীর মনে দীর্ঘমেয়াদে এক ধরনের সহিংস ও নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে, যা তাকে পরবর্তীতে অপরাধপ্রবণ করে তোলে।

এই ধরনের বিপজ্জনক ও অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার পুনরাবৃত্তি চিরতরে রোধ করতে হলে রাষ্ট্র ও সমাজকে এখনই বেশ কিছু জরুরি পদক্ষেপ নিতে হবে। প্রথমত, এই ঘটনার কোনো ধরনের চাপ বা স্থানীয় রাজনৈতিক প্রভাব ছাড়াই সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ প্রশাসনিক তদন্ত নিশ্চিত করে দোষীর বিরুদ্ধে দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে। প্রতিটি বিদ্যালয়ে খাতা-কলমে নয়, বরং বাস্তবে কার্যকর ও স্বাধীন শৃঙ্খলা কমিটি গঠন করতে হবে, যারা যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটার সাথে সাথে তা রেকর্ড, বিশ্লেষণ ও উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে রিপোর্ট করতে বাধ্য থাকবে।

শিক্ষকদের কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অবিলম্বে একটি স্বাধীন ‘শিক্ষক সুরক্ষা নীতি’ এবং কঠোর আইনি কাঠামো গড়ে তোলা এখন সময়ের সবচেয়ে বড় দাবি। এছাড়া, কেবল সিলেবাস শেষ করা নয়, বরং নিয়মিত অভিভাবক সভা ও শিক্ষার্থীদের আচরণগত কাউন্সেলিংয়ের মাধ্যমে পরিবারকে বিদ্যালয়ের সাথে নিবিড়ভাবে যুক্ত রাখতে হবে। যেকোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এমন ঘটনা ঘটার সাথে সাথে উপজেলা ও জেলা পর্যায়ের শিক্ষা প্রশাসন এবং স্থানীয় থানাকে অবহিত করা আইনগতভাবে বাধ্যতামূলক করা উচিত।

পরিশেষে বলা যায়, ঘাটাইলের এই ঘটনা আমাদের সমাজের ভেতরের এক কঠিন ও কুৎসিত বাস্তবতাকে আমাদের চোখের সামনে উন্মোচন করে দিয়েছে। আমাদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো আর আগের মতো নিরাপদ, নৈতিক ও সুশৃঙ্খল চত্বর হিসেবে টিকে নেই। শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর মধ্যে যদি ভয়ের বা আস্থার অভাব তৈরি হয় এবং সেই ফাটল যদি আজ সমাজ বা প্রশাসন মেরামত করতে না পারে, তবে তার সুদূরপ্রসারী খেসারত শুধু একটি স্কুলকে নয়, বরং পুরো প্রজন্ম ও রাষ্ট্রকে দিতে হবে।

শিক্ষা মানে কেবল জিপিএ-৫ বা পাঠ্যবইয়ের মুখস্থ কিছু লাইন নয়, শিক্ষা হলো মানুষের ভেতরের নৈতিক মূল্যবোধ ও মানবিকতা জাগ্রত করার পরম মাধ্যম। আর সেই আদি ও অকৃত্রিম মূল্যবোধের বাতিঘর যখন খোদ শ্রেণিকক্ষেই আক্রান্ত ও প্রশ্নবিদ্ধ হয়, তখন বুঝতে হবে এই সমস্যাটি আর কোনো ব্যক্তিকেন্দ্রিক কোন্দল নয় তা রূপ নিয়েছে এক ভয়াবহ জাতীয় সংকটে। তাই আমাদের অস্তিত্বের স্বার্থেই এখনই রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে দ্রুত, কঠোর এবং কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে; অন্যথায় শ্রেণিকক্ষের এই ছোট অশান্তি ও নৈতিক ক্ষয় অচিরেই ভবিষ্যতে আরও বড় এবং অনিয়ন্ত্রণযোগ্য সামাজিক অস্থিরতার রূপ ধারণ করবে।  

লেখক: গণমাধ্যমকর্মী।

ডিজিএন/এফএ

banner
Link copied!