ইসরায়েলের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্যবস্তুতে ৫৪টি শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। হামলার পর এক বিবৃতিতে আইআরজিসি জানায়, এই অভিযানে অত্যন্ত বিধ্বংসী ও অত্যাধুনিক সব সমরাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে। প্রথম হামলার দুই ঘণ্টার মধ্যেই দ্বিতীয় দফার হামলা শনাক্ত করার কথা জানিয়েছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী।
বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর প্রচার বিভাগ জানিয়েছে, এই অভিযানে প্রথমবারের মতো চারটি কৌশলগত জ্বালানি চালিত ‘সেজিল’ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে। এটি একটি মাঝারি পাল্লার সারফেস-টু-সারফেস ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র।
এই ক্ষেপণাস্ত্রটি ইরানের নাতাঞ্জ পারমাণবিক কেন্দ্র থেকে তেল আবিবের দূরত্ব মাত্র সাত মিনিটে পাড়ি দিতে সক্ষম। অন্যান্য অস্ত্র: অভিযানে ‘খোররামশাহর’ সুপার-হেভি মিসাইল (যা দ্বৈত ওয়ারহেড বিশিষ্ট), ‘খায়বার-শাখান’, ‘কদর’ এবং ‘এমাদ’ ক্ষেপণাস্ত্রও ব্যবহার করা হয়েছে।
ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, আগের হামলার ক্ষত শুকানোর আগেই ইরান থেকে আরেক দফার ক্ষেপণাস্ত্র হামলা শনাক্ত করা হয়েছে। প্রথম হামলার দুই ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে এই নতুন ঢেউ শুরু হয়। সেন্ট্রাল ইসরায়েলসহ বিভিন্ন স্থানে বর্তমানে উচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে এবং সাধারণ মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, ‘সেজিল’ এবং ‘খোররামশাহর’-এর মতো ভারী ও দ্রুতগতির ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের মাধ্যমে ইরান তাদের সামরিক সক্ষমতার চূড়ান্ত জানান দিল। এই হামলার ফলে মধ্যপ্রাচ্যে বড় ধরনের আঞ্চলিক যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি।


আপনার মতামত লিখুন :