সিরিয়ার ইদলিব প্রদেশের আবু-জুহুর বিমানঘাঁটিতে গত সপ্তাহে বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। এই হামলার মাধ্যমে যুদ্ধাপরাধে অভিযুক্ত ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু মধ্যপ্রাচ্যকে আরও অস্থিতিশীল করার ‘ফাঁদ’ পেতেছেন বলে অভিযোগ করেছে তুরস্ক। তবে আঙ্কারা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, তারা কোনোভাবেই ইসরায়েলের এই উসকানিমূলক ফাঁদে পা দেবে না।
ইসরায়েলের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছিল, ওই বিমানঘাঁটিতে তুরস্ক তাদের সেনা মোতায়েনের চেষ্টা করছিল। তবে তুরস্ক ও যুক্তরাষ্ট্র উভয় দেশই ইসরায়েলের এই দাবি পুরোপুরি প্রত্যাখ্যান করেছে।
এ বিষয়ে গতকাল বৃহস্পতিবার (১৯ আগস্ট) তুরস্কের প্রেসিডেন্টের দপ্তর থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়, “নেতানিয়াহুর মতো ব্যক্তির ফাঁদে পা না দেওয়ার জন্য আমাদের যথেষ্ট অভিজ্ঞতা রয়েছে। তাঁর মূল লক্ষ্যই হলো আমাদের অঞ্চলের শান্তি ও স্থিতিশীলতা নষ্ট করা।”
জানা গেছে, ইসরায়েলি ওই হামলায় বিমানঘাঁটিটির রানওয়ে ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। হামলার পর ইসরায়েলের পক্ষ থেকে আরও দাবি করা হয়, ঘটনার মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে সেখানে তুরস্কের একটি সামরিক প্রতিনিধিদল গিয়েছিল। আঙ্কারা এই দাবিও নাকচ করে দিয়েছে।
অন্যদিকে, সিরিয়ার একটি মানবাধিকার পর্যবেক্ষক সংস্থা জানিয়েছে, মূলত ওই ঘাঁটির পুনর্গঠন কাজের সম্ভাব্যতা যাচাই করতেই তুরস্কের প্রতিনিধিদলটি সেখানে গিয়েছিল।
তবে ইসরায়েলি আর্মি রেডিওকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু দাবি করেন, তুরস্কের সেনারা ওই ঘাঁটিতে উপস্থিত হয়েছিল, যা ইসরায়েলের নিরাপত্তার জন্য সরাসরি হুমকি।
তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “তুরস্কের সামরিক বাহিনী উত্তরাঞ্চলের দিকে অগ্রসর হবে, এটি আমরা কোনোভাবেই মানব না; কারণ এটি আমাদের জন্য হুমকিস্বরূপ।” সূত্র: দ্য নিউ আরব


আপনার মতামত লিখুন :