ঢাকা মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ, ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২
Daily Global News

কেবিনেটে নতুন মুখ: চমক দিচ্ছে বিএনপির ‘ক্লিন ইমেজ’ সরকার

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২৬, ১১:৪৬ এএম

কেবিনেটে নতুন মুখ: চমক দিচ্ছে বিএনপির ‘ক্লিন ইমেজ’ সরকার

দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে দীর্ঘ ১৮ বছর পর রাষ্ট্রক্ষমতায় ফিরছে বিএনপি। এখন সবার দৃষ্টি বঙ্গভবনের শপথ অনুষ্ঠান এবং নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের দিকে। দলীয় সূত্রগুলো বলছে, হবু প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান একটি ‘ছোট কিন্তু কার্যকর’ মন্ত্রিসভা গঠনের নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। যেখানে প্রাধান্য পাবে স্বচ্ছ ভাবমূর্তি, প্রশাসনিক দক্ষতা এবং জুলাই বিপ্লব থেকে শুরু করে দীর্ঘদিনের রাজপথের ত্যাগ।

দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে নিয়ে দুই ধরনের আলোচনা রয়েছে। তিনি গুরুত্বপূর্ণ কোনো মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেতে পারেন, অথবা তাঁকে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পদ ‘রাষ্ট্রপতি’ হিসেবে দেখা যেতে পারে। রাষ্ট্রপতি পদে প্রবীণ নেতা ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের নামও জোরালোভাবে আলোচিত হচ্ছে। অন্যদিকে, স্থায়ী কমিটির সদস্যদের মধ্য থেকে কাউকে সংসদের স্পিকার হিসেবে মনোনীত করা হতে পারে।

মন্ত্রণালয় পরিচালনার অভিজ্ঞতাসম্পন্ন স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আব্দুল মঈন খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমেদ ও ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুর কাঁধে অর্পিত হতে পারে গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরগুলো। নির্বাচনে অংশ না নিলেও প্রবীণ নেতা নজরুল ইসলাম খান এবং রুহুল কবির রিজভীকে ‘টেকনোক্র্যাট’ কোটায় মন্ত্রিসভায় আনার জোর সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে রিজভীকে তথ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে বলে গুঞ্জন রয়েছে।

বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২১৩ আসনের এই সরকারে শরিক দলগুলোর প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে আন্দালিব রহমান পার্থ, জোনায়েদ সাকি ও নুরুল হক নুরকে মন্ত্রিসভায় রাখা হতে পারে। এ ছাড়া ববি হাজ্জাজ ও ড. রেজা কিবরিয়াও রয়েছেন আলোচনার টেবিলে। তরুণ ও উদীয়মান নেতাদের মধ্যে ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, শামা ওবায়েদ, অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, ইলেন ভুট্টো এবং মীর হেলালদের নাম শোনা যাচ্ছে।

স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ জানিয়েছেন, সরকার গঠনের পর প্রথম ১০০ দিনের একটি বিশেষ কর্মপরিকল্পনা ঘোষণা করা হবে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ এবং অর্থনীতি সচল করাই হবে প্রথম চ্যালেঞ্জ। তারেক রহমান কঠোর বার্তা দিয়েছেন যে, বিতর্কিত বা প্রশ্নবিদ্ধ অতীত আছে এমন কাউকে মন্ত্রিসভায় রাখা হবে না। নতুন সরকারের অগ্রাধিকার হবে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং জুলাই সনদের আলোকে রাষ্ট্র সংস্কার।

ডিজিএন/এনএস

banner
Link copied!