হরমুজ প্রণালিতে যুদ্ধের দামামা আর অবরোধের হুমকির মাঝে আকস্মিক স্বস্তি ফিরেছে বিশ্ব জ্বালানি বাজারে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে পুনরায় শান্তি আলোচনার সম্ভাবনা তৈরি হওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম এক শতাংশের বেশি কমেছে। আজ মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) বিকেলে বিবিসির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
সপ্তাহান্তে আলোচনা ভেঙে যাওয়ায় এবং প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের অবরোধের নির্দেশে তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার ছাড়িয়ে গিয়েছিল। তবে মঙ্গলবার নতুন দাম অনুযায়ী: ব্রেন্ট ক্রুড ১ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৯৮.৪০ ডলার। ইউএস অয়েল ১.৭ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৯৭.৪৮ ডলার।
জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের একটি বক্তব্যই বাজারের এই পতনে প্রধান ভূমিকা রেখেছে। ট্রাম্প জানিয়েছেন, একটি সম্ভাব্য সমঝোতার বিষয়ে তেহরান সরাসরি ওয়াশিংটনের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। এই খবরের পর বিনিয়োগকারীদের মাঝে সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা কিছুটা কমেছে, যা দামের ওপর নিম্নমুখী প্রভাব ফেলেছে।
যদিও এই দরপতন বাজারে সাময়িক স্বস্তি এনেছে, তবে বিশ্লেষকরা এখনও সতর্ক। তাঁদের মতে, হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন নৌবাহিনীর অবস্থান এবং ইরানের ‘নতুন ব্যবস্থাপনার’ হুঁশিয়ারি বহাল থাকায় যেকোনো মুহূর্তে দাম আবারও আকাশচুম্বী হতে পারে। বাজার সংশ্লিষ্টদের ভাষায়, “এটি তেলের দামের একটি অস্থায়ী বিরতি মাত্র; উত্তেজনার পারদ চড়লে আবারও ১০০ ডলারের সীমা ছাড়ানো সময়ের ব্যাপার।”


আপনার মতামত লিখুন :