ঢাকা মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ, ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২
Daily Global News

২০২৬ সালের হজ ভিসা ইস্যু শুরু ৮ ফেব্রুয়ারি, জানাল সৌদি আরব

ধর্ম ডেস্ক

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ৭, ২০২৬, ১১:০৬ পিএম

২০২৬ সালের হজ ভিসা ইস্যু শুরু ৮ ফেব্রুয়ারি, জানাল সৌদি আরব

২০২৬ সালের (১৪৪৭ হিজরি) হজ মৌসুমকে সামনে রেখে আগামীকাল ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে হজ ভিসা ইস্যু শুরু করছে সৌদি আরব। দেশটির হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

মন্ত্রণালয় জানায়, হজযাত্রীদের সৌদি আরবে পৌঁছানোর কয়েক মাস আগেই প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করার লক্ষ্যেই আগাম ভিসা কার্যক্রম শুরু করা হচ্ছে। এতে করে আবাসন, পরিবহন ও অন্যান্য সেবার মান নিশ্চিত করা সহজ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

সৌদি হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের হজের প্রাথমিক প্রস্তুতি শুরু হয় ২০২৫ সালের ৮ জুন, যা হিজরি বর্ষপঞ্জি অনুযায়ী ১৪৪৬ সালের ১২ জিলহজ। ওই সময় বিশ্বের বিভিন্ন দেশের হজ বিষয়ক দপ্তরের কাছে প্রাথমিক পরিকল্পনা ও নির্দেশনাসংবলিত নথিপত্র পাঠানো হয়।

এ ছাড়া সফর মাসের শুরুতেই ‘নুসুক মাসার’ নামের একটি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম চালু করা হবে। এই প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে পবিত্র স্থানগুলোর তাঁবু, সেবা ও অবকাঠামো সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য হজ কার্যালয়গুলো জানতে পারবে, যা পরিকল্পনা ও সমন্বয়ের কাজে সহায়ক হবে।

ঘোষিত সময়সূচি অনুযায়ী, মক্কা ও মদিনায় আবাসন, পরিবহন এবং অন্যান্য সেবাসংক্রান্ত চুক্তিগুলো ২০২৬ সালের শুরুতেই চূড়ান্ত করা হয়েছে। ভিসা ইস্যু শুরুর পর মার্চ মাসের মধ্যে ভিসা কার্যক্রম শেষ করে হাজিদের আগমনের প্রস্তুতিমূলক সব তথ্য জমা নেওয়া হবে।

মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ (১ জিলকদ) থেকে প্রথম দফায় হজযাত্রীরা সৌদি আরবে পৌঁছাতে শুরু করবেন। এর মধ্য দিয়েই হজ মৌসুমের চূড়ান্ত পর্যায়ের কার্যক্রম শুরু হবে।

হজ ব্যবস্থাপনায় সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সমন্বয় জোরদারে একটি হজ প্রদর্শনীর আয়োজনের পরিকল্পনাও রয়েছে বলে জানিয়েছে মন্ত্রণালয়।

এদিকে, হজ প্রস্তুতির অগ্রগতি সম্পর্কে জানিয়ে সৌদি কর্তৃপক্ষ বলেছে, এখন পর্যন্ত প্রায় সাড়ে ৭ লাখ হজযাত্রী নিবন্ধন সম্পন্ন করেছেন। এর মধ্যে প্রায় ৩০ হাজার হাজি নিজ নিজ দেশ থেকে সরাসরি প্যাকেজ বুক করেছেন।

আন্তর্জাতিক হজযাত্রীদের জন্য পবিত্র স্থানগুলোতে ৪৮৫টি তাঁবু বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে এবং ৭৩টি হজ কার্যালয় তাদের প্রাথমিক চুক্তিগত কাজ শেষ করেছে।

সৌদি আরব হজ কার্যালয় ও সংশ্লিষ্ট সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্ধারিত সময়সূচি কঠোরভাবে অনুসরণ করার আহ্বান জানিয়ে বলেছে, এতে হজযাত্রীরা নিরাপদ ও সম্মানজনক পরিবেশে পবিত্র হজ পালন করতে পারবেন।

ডেইলি গ্লোবাল নিউজ

banner
Link copied!