প্রকৃতির রুদ্ররূপ আর সাগরের অস্থিরতায় উপকূলজুড়ে বইছে আতঙ্কের হাওয়া। উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় বায়ুচাপের তারতম্যের আধিক্য দেখা দেওয়ায় সমুদ্র এখন উত্তাল। এমন পরিস্থিতিতে বড় কোনো বিপদের ঝুঁকি এড়াতে চট্টগ্রাম, মোংলা, পায়রা ও কক্সবাজার সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখাতে বলেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
সাগরের এই বৈরী আচরণে সবচেয়ে বেশি বিপদে আছেন গভীর সমুদ্রে অবস্থানরত মৎস্যজীবীরা। অধিদপ্তরের বিশেষ সতর্কবার্তায় উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত সকল মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি এসে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে। জীবন ও জীবিকার সন্ধানে নোনা জলে ভাসা হাজারো মানুষের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন স্বজনরা।
আবহাওয়াবিদ মো. শাহীনুল ইসলাম জানিয়েছেন, শুধু সাগর নয়, স্থলভাগেও রয়েছে বৃষ্টির দাপট। তিনি বলেন, “ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে চলমান বৃষ্টিপাতের প্রবণতা আরও অন্তত এক সপ্তাহ অব্যাহত থাকতে পারে।”
আজ মঙ্গলবার সকালের বুলেটিন অনুযায়ী: ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় দমকা হাওয়াসহ মাঝারি থেকে বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। বিশেষ করে সিলেট, ঢাকা ও চট্টগ্রামে ভারী থেকে অতিভারী বর্ষণের শঙ্কা রয়েছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে চায়ের দেশ শ্রীমঙ্গলে (১৫৮ মিলিমিটার), আর রাজধানী ঢাকায় বৃষ্টির পরিমাণ ছিল ৮ মিলিমিটার। বৃষ্টির কারণে রাতের তাপমাত্রা কিছুটা কমলেও দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে বলে জানানো হয়েছে। গতকাল দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস।


আপনার মতামত লিখুন :