ঢাকা সোমবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৬, ৯ ভাদ্র ১৪৩৩
Daily Global News

রাষ্ট্রপতি পদে লড়বে ১১ দলীয় জোট, প্রার্থী কর্নেল অলি আহমদ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: আগস্ট ৯, ২০২৬, ০২:১১ পিএম

রাষ্ট্রপতি পদে লড়বে ১১ দলীয় জোট, প্রার্থী কর্নেল অলি আহমদ

আসন্ন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যজোটের পক্ষ থেকে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান বীর বিক্রম কর্নেল (অব.) অলি আহমদকে প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে।

রোববার (৯ আগস্ট) দুপুরে রাজধানীর মিন্টো রোডে বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের বাসভবনে জোটের শীর্ষ নেতাদের এক বৈঠক শেষে বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম আনুষ্ঠানিকভাবে এ ঘোষণা দেন।

তিনি জানান, দেশের বর্তমান রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক সংকটে একজন যোগ্য অভিভাবক হিসেবে অলি আহমদ অত্যন্ত উপযুক্ত। ছয়বারের সংসদ সদস্য, সাবেক মন্ত্রী ও প্রবীণ এই মুক্তিযোদ্ধার নেতৃত্বে চলমান সংকট নিরসন সম্ভব বলে মনে করে ১১ দলীয় জোট।

একই সঙ্গে বর্তমান বিএনপি সরকারের কড়া সমালোচনা করে নাহিদ ইসলাম বলেন, সরকার গণভোটের রায় ও ‘জুলাই সনদ’ উপেক্ষা করে পূর্ববর্তী স্বৈরতন্ত্রের পথেই হাঁটছে এবং ক্ষমতা কুক্ষিগত করতে নির্বাচন কমিশনসহ রাষ্ট্রীয় সব প্রতিষ্ঠানকে দলীয়করণ করছে।

তিনি বলেন, ‘আমরা কিন্তু প্রথম অধিবেশনের একদম প্রথম দিনই বলেছিলাম যে ফ্যাসিবাদের দোসর সাহাবুদ্দিনকে রাষ্ট্রপতি থেকে অপসারণ করে নতুন রাষ্ট্রপতি যাতে দ্রুত সময়ের মধ্যে দেওয়া হয়, জুলাই সনদ অনুসারে। সেই রাষ্ট্রপতিকে তারা ছয় মাস রেখে দিলো এবং তাকে এখনও কোনো ধরনের বিচারের আওতায় আনা হচ্ছে না। এটাও আমাদের কাছে সন্দেহজনক।’

তিনি আরও বলেন, আমরা জানি নির্বাচন-পরবর্তী পাঁচ বছর যখন অতিক্রম হবে, এই রাষ্ট্রপতি সে সময় থাকবেন এবং তখন তত্ত্বাবধায়ক সরকার কীভাবে হবে, এই রাষ্ট্রপতি যিনি রাষ্ট্রপতি হতে যাচ্ছেন, হবেন, তার ভূমিকা কী হবে, এই পুরো বিষয়টা কিন্তু জাতির সামনে একটা সন্দেহ তৈরি করে।

নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘বিএনপির অধীনে ইতিহাসে আমরা দেখেছি, তারা সবসময় চেষ্টা করেছে এই ট্রানজিশনের সময়গুলো যাতে নিজেদের হাতে ক্ষমতা থাকে, সেটা তারা বিভিন্ন সময় চেষ্টা করেছে। বাংলাদেশে অনেকগুলো রাজনৈতিক সাংবিধানিক সংকট তারা তৈরি করেছে।’

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ১১ দলের প্রার্থী বাস্তবে জয়ী হওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে প্রশ্নের জবাবে নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘আমরা নিয়ম দেখে এসেছি রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে সাধারণত সংখ্যাগরিষ্ঠ যারা থাকে, তাদের প্রাধান্য থাকে এবং তাদের ওই ভোটে কাস্টিং ভোটটাই মূলত রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়।’

তিনি বলেন, আমি মনে করি যে, এই অংশগ্রহণটাই একটা গুরুত্বপূর্ণ মেসেজ। রাজনীতিতে গণতন্ত্রের জন্য আমরা মনে করি যে এই প্রক্রিয়াটা অংশগ্রহণমূলক, প্রতিযোগিতামূলক হওয়া উচিত।’

এসময় বিরোধী দলীয় নেতা ও জামায়াত ইসলামীর আমির ডা.  শফিকুর রহমান, এলডিপি চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদসহ ১১ দলীয় জোটের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

ডিজিএন/এনএস

banner
Link copied!