মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিতিশীল পরিস্থিতির কারণে সৃষ্ট বৈশ্বিক অর্থনৈতিক উদ্বেগের মাঝেই বড় ধরনের ইতিবাচক পরিবর্তন লক্ষ্য করা গেছে বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সবশেষ তথ্য অনুযায়ী, দেশের গ্রস বা মোট রিজার্ভ এখন ৩৫ দশমিক ৩২ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে দাঁড়িয়েছে।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান রিজার্ভের এই নতুন তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, গত ২৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশের গ্রস রিজার্ভ ছিল ৩৫ দশমিক ৩১ বিলিয়ন ডলার। মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে রিজার্ভে নতুন করে বড় অংকের বৈদেশিক মুদ্রা যুক্ত হয়েছে।
আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) নির্ধারিত বিপিএম-৬ হিসাব পদ্ধতি অনুযায়ীও রিজার্ভের শক্তিশালী অবস্থান লক্ষ্য করা গেছে। ৩ মার্চ পর্যন্ত এই পদ্ধতিতে রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩০ দশমিক ৫৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা গত ২৫ ফেব্রুয়ারিতে ছিল ৩০ দশমিক ২৮ বিলিয়ন ডলার।
একটি দেশের মোট রিজার্ভ থেকে স্বল্পমেয়াদি দায়গুলো বিয়োগ করলে যা অবশিষ্ট থাকে, তাকেই নিট বা প্রকৃত রিজার্ভ বলা হয়। বর্তমানে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেল ও গ্যাসের দাম হু হু করে বাড়ার যে প্রবণতা তৈরি হয়েছে, এই মুহূর্তে রিজার্ভের এই শক্তিশালী অবস্থান বাংলাদেশের আমদানির দায় মেটানো এবং মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা।


আপনার মতামত লিখুন :