ঢাকা মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১ বৈশাখ ১৪৩৩
Daily Global News
জ্বালানি সংকটে বড় স্বস্তি

১৫ এপ্রিলের মধ্যে আসছে এলএনজি ও এলপিজির ৫ জাহাজ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: এপ্রিল ১০, ২০২৬, ১১:০০ এএম

১৫ এপ্রিলের মধ্যে আসছে এলএনজি ও এলপিজির ৫ জাহাজ

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর আন্তর্জাতিক সরবরাহ ব্যবস্থায় যে শিথিলতা এসেছে, তার সুফল পেতে শুরু করেছে বাংলাদেশ। দেশের অভ্যন্তরীণ জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে আগামী ১৫ এপ্রিলের মধ্যে এলএনজি (তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস) এবং এলপিজি (তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস) নিয়ে অন্তত পাঁচটি জাহাজ দেশের জলসীমায় প্রবেশ করবে। চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ ও শিপিং এজেন্টরা নিশ্চিত করেছেন যে, বর্তমানে জাহাজগুলো সমুদ্রপথে রয়েছে এবং এগুলোকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বার্থিং দেওয়া হচ্ছে।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব রেফায়েত হামিম জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার পর্যন্ত পাঁচটি জাহাজেরই আসার চূড়ান্ত ঘোষণা পাওয়া গেছে। জাহাজগুলোর সূচি নিচে দেওয়া হলো:

১০ এপ্রিল (আজ) মালয়েশিয়া থেকে ২ হাজার ৪৭০ টন কার্গো নিয়ে আসছে এলপিজি জাহাজ ‘মর্নিং জেলি’। একই দিনে যুক্তরাষ্ট্র থেকে প্রায় ৬৯ হাজার টন এলএনজি নিয়ে মহেশখালীর টার্মিনালে পৌঁছাবে জাহাজ ‘ইএমইআই’। ১১ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্র থেকে সমপরিমাণ এলএনজি নিয়ে আসবে জাহাজ ‘কংটং’। ১৩ এপ্রিল মালয়েশিয়া থেকে এলপিজি নিয়ে পৌঁছাবে জাহাজ ‘পল’। ১৫ এপ্রিল সর্বশেষ জাহাজ হিসেবে অস্ট্রেলিয়া থেকে ৬৪ হাজার ৬৭৮ টন এলএনজি নিয়ে আসবে ‘ম্যারান গ্যাস হাইড্রা’।

এর আগে বুধবার রাতেই মালয়েশিয়া থেকে ২৬ হাজার টন পরিশোধিত অকটেন নিয়ে দেশে পৌঁছেছে ট্যাংকার ‘এমটি সেন্ট্রাল স্টার’। বৃহস্পতিবার বিকেল থেকে পতেঙ্গার ডলফিন জেটিতে এটি নোঙর করে তেল খালাস শুরু করেছে। একই সময়ে হাই সালফার ফুয়েল অয়েল নিয়ে আসা ‘ইস্টার্ন কুইন্স’-ও খালাসের অপেক্ষায় রয়েছে।

রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানি লিমিটেডের (আরপিজিসিএল) উপ-মহাব্যবস্থাপক প্রকৌশলী মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ কবির জানান, চলতি মাসে মোট ৯টি এলএনজি জাহাজ আসার কথা রয়েছে। ইতোমধ্যে দুটি জাহাজ এসে পৌঁছেছে এবং বর্তমানে খালাস প্রক্রিয়া চলছে। সাধারণত প্রতিটি জাহাজ ৬৯ হাজার থেকে ৭০ হাজার টন গ্যাস বহন করে। গত মার্চ মাসেও বাংলাদেশ বিভিন্ন দেশ থেকে ৮টি জাহাজে প্রায় ৬ লাখ টন এলএনজি আমদানি করেছিল।

বন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বিদ্যুৎ কেন্দ্র ও শিল্প কারখানায় গ্যাসের ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটাতে জ্বালানিবাহী জাহাজের ক্ষেত্রে কোনো ধরণের দেরি করা হচ্ছে না। বন্দর সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম বলেন, “দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই আমাদের প্রথম অগ্রাধিকার। প্রতিটি জাহাজ আসার সাথে সাথেই প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে জেটিতে ভিড়ানো হচ্ছে।” সূত্র: বাসস

ডিজিএন/এফএ

banner
Link copied!