ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ, ২০২৬, ২১ ফাল্গুন ১৪৩২
Daily Global News

দ্বিতীয় বিয়ে প্রকাশ্যে আসতেই হিরণ চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে আইনি অভিযোগ প্রথম স্ত্রীর

বিনোদন ডেস্ক

প্রকাশিত: জানুয়ারি ২০, ২০২৬, ০৪:০০ পিএম

দ্বিতীয় বিয়ে প্রকাশ্যে আসতেই হিরণ চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে আইনি অভিযোগ প্রথম স্ত্রীর

অভিনেতা ও বিজেপি বিধায়ক হিরণ চট্টোপাধ্যায় দ্বিতীয়বার বিয়ে করেছেন। মঙ্গলবার তিনি নিজেই সমাজমাধ্যমে বিয়ের বিভিন্ন ছবি প্রকাশ করেন। বারাণসীর ঘাটে অনুষ্ঠিত এই বিয়েতে তাঁর স্ত্রী হিসেবে পরিচয় করানো হয়েছে ঋতিকা গিরিকে। বিয়ের ছবি প্রকাশ্যে আসার পর বিষয়টি নিয়ে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা।

সমাজমাধ্যম ঘেঁটে জানা গেছে, হিরণ ও ঋতিকা বেশ কিছুদিন ধরেই সম্পর্কে ছিলেন। তবে বিষয়টি আগে প্রকাশ্যে তেমন আলোচিত হয়নি। রাজনীতিতে সক্রিয় হওয়ার পর থেকে হিরণ মূলত খড়্গপুরেই বসবাস করছিলেন। এর আগেও তাঁর দাম্পত্য জীবন নিয়ে নানা গুঞ্জন শোনা গিয়েছিল।

হিরণের প্রথম স্ত্রী অনিন্দিতা চট্টোপাধ্যায় এই বিয়ে নিয়ে কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। তিনি দাবি করেছেন, তাঁদের মধ্যে এখনো আইনি বিচ্ছেদ হয়নি, ফলে এই বিয়ে আইনত গ্রহণযোগ্য নয়। অনিন্দিতা বলেন, “২০০০ সালের ১১ ডিসেম্বর আমাদের বিয়ে হয়েছিল। আমাদের একটি ১৯ বছরের কন্যাসন্তান রয়েছে। আইনি বিচ্ছেদের কোনো প্রক্রিয়া শুরু হয়নি।”

তিনি আরও অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে তিনি ও তাঁর মেয়ে মানসিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। তবে মেয়ের ভবিষ্যৎ ও পরিবারের সম্মানের কথা ভেবে এতদিন নীরব ছিলেন। অনিন্দিতার ভাষ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের নতুন বছরও তাঁরা একসঙ্গে উদ্‌যাপন করেছিলেন এবং এক মাস আগেও হিরণ তাঁদের ফ্ল্যাটে এসেছিলেন মেয়ের সঙ্গে দেখা করতে।

প্রথম স্ত্রী আরও বলেন, “আমি কখনও চাইনি বিষয়টা প্রকাশ্যে আসুক। কিন্তু এবার যা হয়েছে, তাতে আর চুপ থাকা সম্ভব নয়। এই বিয়ের কোনো আইনি ভিত্তি নেই।” তিনি জানান, তাঁর মেয়ের বয়স প্রায় সেই মেয়েটির সমান, যাঁর সঙ্গে হিরণ বিয়ের ছবি প্রকাশ করেছেন—যা তাঁর মেয়ের উপর গভীর মানসিক প্রভাব ফেলছে।

এদিকে, হিরণের বিয়ের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর তাঁর সহকর্মী অভিনেতা রুদ্রনীল ঘোষ শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, বন্ধুর নতুন জীবন শুরু করার সিদ্ধান্তকে তিনি সম্মান করেন।

তবে এই বিয়ে ঘিরে এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে—আইনি বিচ্ছেদের সত্যতা ও দাম্পত্য সম্পর্কের জটিলতা। বিষয়টি নিয়ে হিরণ চট্টোপাধ্যায়ের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক বক্তব্য এলে পরিস্থিতি আরও স্পষ্ট হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

ডিজিএন

banner
Link copied!